‘ঈদ ছিল অন্যরকম আনন্দের, খাওয়া আনলিমিটেড’

ছোটবেলার ঈদের স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহম্মদ ফারুক খান বলেছেন, ছোট সময় আমাদের ঈদ ছিল অন্যরকম আনন্দের। বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাফেরা। একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায়। সালামি প্রাপ্তি ছিল অন্যরকম অনুভূতির।

সম্প্রতি শৈশবের ঈদ নিয়ে নানান স্মৃতিকথা জানাচ্ছিলেন এই সময়ের রাজনীতিক মুহম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন আমাদের বাড়িতে বন্ধুরা আসতো। আমিও তাদের বাড়িতে যেতাম। মজার মজার খাওয়া-দাওয়া হতো। পায়েস, পোলাও, মাংস খেতাম। সেই খাওয়া ছিল আনলিমিটেড। ছোট সময়ে ঈদে খেয়ে মজা পেতাম। এখন বড় হয়ে মানুষকে খাইয়ে মজা পাই।’

রাজনীতিবিদ হিসেবে মানুষের সঙ্গে বেশি মিশতে হয় উল্লেখ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘এখন চেষ্টা করি ঈদে যতটা সম্ভব সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তাদের ঈদের আনন্দ আরও সুন্দর করতে কিছুটা হলেও অবদান রাখার চেষ্টা করি। তবে এখনও যে ঈদে প্রাপ্তিতে খুশি হই না, তা নয়।  কর্মী-সমর্থক অনেকে আমাকে ভালোবেসে টিপস দেয়, ঈদে পাঞ্জাবি উপহার দেয়। আমিও তাদের টিপস দেই। এই গিফট পেতে আমার খুবই ভালো লাগে। ভালো লাগে এই ভেবে যে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাদের দেওয়ার সামর্থ্য হয়েছে।’

যদিও আনন্দের মাঝেও ঈদযাত্রা মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে দেয় বলে মনে করেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা মুহম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও ঈদের যাত্রাকে পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক করতে পারিনি। ঈদে আসা-যাওয়ার পথে মানুষের দুর্ভোগ। দুর্ঘটনা, দুঃসংবাদ মানুষের ঈদকে ম্লান করে দেয়। আমাদের লক্ষ্য ঈদযাত্রা নিরাপদ হবে। মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি যাবে। আবার নিরাপদে কর্মস্থলে ফিরে আসবে।’

ফারুক খানের ছবি অবলম্বনে গ্রাফিক্স করেছেন গাজী শাহজাহান