‘যে মিটিং ১০টায়, সেই মিটিংয়ের প্রধান অতিথি যদি দেড়টায় বক্তৃতা করতে ওঠার সুযোগ পান তাহলে উপস্থিত কারোর ধৈর্য থাকে না। সাংবাদিকদেরও ধৈর্য থাকে না। ছাত্রলীগের যারা কর্মী তারাও কষ্ট করে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে। তাদেরও ধৈর্য থাকে না। আমি সময় সম্পর্কে সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ডিসিপ্লিনটা আমদের দরকার।’ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আদর্শ বাঁচবে না যদি ডিসিপ্লিন না বাঁচে। আদর্শকে বাঁচাতে হলে ডিসিপ্লিনকে বাঁচাতে হবে। আমি সবাইকে এই কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’
তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শৃঙ্খলায় আসার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। মঞ্চে অনেক নেতা দাঁড়িয়ে আছেন দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘আদর্শের সৈনিকরা যদি মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকে কীভাবে হবে? আজকের জন্য ক্ষমা করলাম। ভবিষ্যতের জন্য সাবধান করলাম।’
রাজধানীতে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।