ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকরা ‘একটা সাইডে মোটিভেটেড হয়ে আছে’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি বলেছেন, ‘কোনও ঘটনা ঘটার আগেই বিবৃতি দেয় তারা। একাত্তরে আমরা দেখেছি, তাদের একটা গ্রুপ আছে। যারা কোনোভাবেই আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে ঠিকভাবে দেখেনি।’
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের অভ্যর্থনা উপকমিটির প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘কথা নাই, বার্তা নাই, রাস্তা বন্ধ করে ৭ ডিসেম্বর সমাবেশ করলো বিএনপি। তাদের গণসমাবেশ হলো ১০ ডিসেম্বর। তার আগেই তারা পুলিশের ওপর আক্রমণ করলো। পুলিশের রক্ত ঝরতে টেলিভিশনেই দেখা গেছে। সেটার বিষয়ে তাদের কোনও ইয়ে...নাই। আওয়ামী লীগ যেন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, এমনভাবে বক্তব্য দিচ্ছে তারা।’
বিদেশি কূটনীতিকদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘তোমার দেশের কোনও কিছু নিয়ে তো আমরা নাক গলাই না, অনেক কিছুই তো ঘটে। মার্কিন নির্বাচনের সময়ও অনেক গন্ডগোল হয়েছে, আমরা নাক গলাইছি? বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে নাক গলাইও না। এখানকার রাজনীতি জনগণই নির্ধারণ করবে।’
বিদেশিদের ‘সাজেশন অনুপাতে এ দেশের রাজনীতি হবে না’ মন্তব্য করে শেখ সেলিম বলেন, ‘নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী, তার বাইরে হবে না। এখন তারা এখানে বসে যাবে, ওখানে বসে যাবে, ওমুককে টেনে নামাবে, এসব কথা বলছে। এ নিয়ে আমরা মাথা গামাবো না, সম্মেলনকে গুরুত্ব দেবো। আমরা সম্মেলনে তাদের ইনভাইট করব, তাদের সিকিউরিটি ব্যাপারে যতটুকু দেওয়ার দেবো। এই জন্য এক্সট্রা এনার্জি ওখানে খরচ করে লাভ নাই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আন্তর্জাতিক উপকমিটির চেয়ারম্যান ড. জমির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ডা. হাবিবে মিল্লাত, ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন প্রমুখ।