জনপ্রিয়তা না থাকলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাউকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেবে না উল্লেখ করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নেই এমন কাউকে নমিনেশন দেওয়া হবে না। অর্থ পাচারকারী, লুণ্ঠনকারী, বিতর্কিত লোকের জায়গা আওয়ামী লীগে নেই।
সোমবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় শ্রমিক লীগের এ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের পতাকা সমুন্নত রাখা হবে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এজন্য সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এখন থেকেই মাঠে থাকতে হবে নেতাকর্মীদের। শেখ হাসিনা কাউকে রেহাই দেবেন না। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না থাকলে নমিনেশন দেবেন না।
মানুষের সাথে নেতাকর্মীদের ভালো আচরণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ তাৎক্ষণিকভাবে হয়তো কিছু বলবে না তবে ভালো আচরণ না করলে এদেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে।
এদিকে, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক আযম খসরুর দ্বন্দ্বের কারণে কমিটি ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ সংগঠনটির সমাবেশে তাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেকে বলে শ্রমিক লীগ এক হবে না। আজকে মে দিবসে শ্রমিক লীগ এক হয়েছে। তাদের ধন্যবাদ জানাই। শ্রমিক লীগ আজ ঐক্যবদ্ধ। এই ঐক্যে যেন চির না ধরে। এই ঐক্যকে আরও দৃঢ় করতে হবে।
বক্তব্যের শেষ দিকে এসে ডায়াসের দুই পাশে থাকা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাত ধরে মিলিয়ে দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। এ সময় দীর্ঘদিনে দ্বন্দ্বের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক হয়ে কাজ করতে বলেন তিনি।
জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল প্রমুখ।