পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। পার্বত্য মানুষের কল্যাণে সরকার পার্বত্য তিন জেলায় উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রেখেছে। দেশের সামাজিক ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান ও সার্বিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের বিকল্প নেই।’
শুক্রবার (৯ জুন) বান্দরবান সদরের রাস্তা সংস্কার, ড্রেইন নির্মাণ ও স্থানীয় কবরস্থান উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সড়ক সংস্কার ও নির্মাণ, মন্দির-মসজিদ-খিয়াং-বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা ও নির্মাণসহ নানান উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে।’
পার্বত্য জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে পর্যটন শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার কল্যাণে আধুনিকতর হচ্ছে পার্বত্য অঞ্চল। পার্বত্য স্থানীয় বাসিন্দারা আগের চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি স্বাবলম্বী হচ্ছে।’ তিনি দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সর্বস্তরের জনগণকে আওয়ামী লীগের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বীর বাহাদুর আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কারণে পার্বত্য এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নকর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং আগামীতেও বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলা দেশের উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পাবে।‘ পার্বত্য চট্টগ্রামউন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান কেন্দ্রীয় কবরস্থানের লাশ ঘর, গেইট, সড়ক এবং বাস টার্মিনাল ভবন ও মসজিদ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।
পরে বান্দরবান পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান সদর হাসপাতাল থেকে গণপূর্ত বিভাগ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মো. রায়হান কাজেমী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার বিশ্বাস, বান্দরবান পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র সৌরভ দাস শেখর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, বান্দরবান পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীরসহ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।