মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।
প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি একজন সাংবাদিক মানুষ। উনি কোনও রাজনীতি করেন না। আমাদের সঙ্গে সামান্য জানাশোনা আছে। উনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জয় ৩শ’ মিলিয়ন ডলার লুটপাট করেছিল। ওইটা তদন্ত হচ্ছিল। সে তদন্তের কাগজপত্র শফিক রেহমান পেয়েছিলেন। এইজন্যই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় জয়কে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান খালেদা জিয়া।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আহমেদ আযম খান প্রমুখ।
দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন ও আইনের শাসন নেই মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, প্রতিটি মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। পবিত্র রমজানেও সাঁড়াশি অভিযান চলেছে। এই অভিযানে বিএনপির ৩ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার দাবি, সরকার দেশে-বিদেশে দেখানোর জন্য সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে পুলিশকে বাণিজ্য করার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে সত্যিকার অপরাধীদের ধরলে বিএনপি সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে জানান বিএনপি নেত্রী।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বিগ্ন। মসজিদের মাইকে আজান দিতে দেওয়া হয় না হাসিনার নিরাপত্তার জন্য। এর মতলব কি? আজান বন্ধ করতে কি কোনও নির্দেশ আছে? প্রশ্ন রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসন।
খালেদা জিয়া ছাত্রলীগের সামলোচনা করে বলেন, সরকারপন্থী এই সংগঠনটি সারাদেশে দখল, অত্যাচার, নারী নির্যাতনে জড়িত।
বক্তব্যের শেষ দিকে খালেদা জিয়া ঢাকা মহানগর বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
/এসটিএস/এসএনএইচ/
আরও পড়ুন:
- বাবুল আক্তার জড়িত কিনা সে প্রসঙ্গ এখনও আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- মিতু হত্যাকাণ্ড: ভোলা ‘খুনিদের’ অস্ত্র দেয়, সরবরাহ করে মনির
- দুই ‘খুনির’ জবানবন্দি নিয়ে পুলিশের রহস্যময় রাখঢাক