৭ নভেম্বর সরকারের খুবই অপছন্দের দিন। তারা এই দিনটির নামই শুনতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
শনিবার ছাত্রদল ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ শীষর্ক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
৭ নভেম্বর সম্পর্কে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ৭ নভেম্বরকে সেনা হত্যা দিবস বলে অভিহিত করে। তারা বলেন, কিসের সংহতি, কিসের বিপ্লব? এই দিনকে নাকি বিপ্লব বলা যাবে না। এ ধরনের কথা শুনলে অবাক লাগে। শিক্ষিত মানুষ যদি এমন বক্তব্য দেন তাহলে কিছুই বলার থাকে না।’
৭ নভেম্বরের চেতনার প্রসঙ্গ তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘পঁচাত্তরে যা আমরা হারিয়েছিলাম তা পুনরুদ্ধার করা ছিল এই দিনটির আদর্শ। বাকশালের মাধ্যমে আমরা যা হারিয়েছিলাম তা পুনর্প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এই দিনের আদর্শ। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল দেশ গড়াই ছিল এ দিনের আদর্শ। সারাবিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আদর্শ ছিল এই দিনটির। কিন্তু হানিফ সাহেবরা এই দিনের আদর্শ বোঝেন না। ওই দিন যারা সেনা হত্যা করেছে, তারাই আজ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী হয়েছে।’
বাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় যারা জড়িত তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ওই হামলায় যাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। কিন্তু হামলা চালানোর যত অভিযোগ সব দেয় বিএনপিকে। প্রশাসনের অবহেলার কথাও বলা হচ্ছে। এই প্রশাসন কি বিএনপির নাকি সরকারের?’ সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানান তিনি।
/আরএআর/এসটি/