সমাবেশের দু' ঘণ্টা আগে অনুমতি দিতে সরকার পুলিশকে বাধ্য করেছে বলে মন্তব্য করে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সরকার যেন জনগণকে বলতে পারে, আমরা তো অনুমতি দিয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপি সমাবেশ করেনি। এ কথা বলে সরকার জনগণকে বোকা বানাতে চায়।’
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি যেন ৭ নভেম্বর উপলক্ষে সমাবেশ করতে না পারে, সেই কারণেই দু' ঘণ্টা আগে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কারণ আওয়ামী লীগ বিএনপিকে ভয় পায়।’
সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘আমরা আপনাদের চরিত্র দেখতে চাই। বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশ করতে আমরা আবারও ১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জন্য অনুমতি চেয়েছি। যদি আমাদের অনুমতি দেওয়া না হয়, তাহলে আমরা ধরে নেব, আপনারা নিজেদের গণতান্ত্রিক চরিত্র হারিয়ে ফেলেছেন।’
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট মন্তব্য করে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে সরকার ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করে তরুণদের বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। কারণ এই দিনটিকে তারা ভয় পায়। ১৯৭১ থেকে ৭৫ পর্যন্ত যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল, ওই সময় ৭৪ সালে আওয়ামী লীগ দেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করে দেশের সব গণমাধ্যম বন্ধ করে দিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। আর ৭ নভেম্বরের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এছাড়া ৭ নভেম্বর এলে জিয়াউ রহমানের নাম আসে। আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার কথা মনে পড়ে, সেই কারণেই এত ভয় তাদের।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, যুব দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এলবার্ট পি কস্টা প্রমুখ।
/আরএআর/এমএনএইচ/