সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও দেশে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা গণতন্ত্র নেই। অসহায় সাঁওতালদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। এ লজ্জা রাখার জায়গা নেই। একাত্তরে ঘৃণ্য হানাদারবাহিনী ঠিক এভাবেই বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছিল। নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরেও আগুন দেওয়া হয়েছে।’
যারা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কুৎসিত কথা বলে, তারা কুৎসিত মানুষ মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ‘আমরা কুৎসিত নই। ৪৫ বছর পার হয়ে গেছে, অথচ এখনো দুর্ভাগ্য ও হতাশার সঙ্গে বলতে হয়, নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে না।’ দলের নেতাকর্মীদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পড়ার পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জীবনী পড়ারও পরামর্শ দেন মির্জা ফখরুল।
আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মোস্তাহিদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুন আহমেদ, সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, বিএনপির নেতা কাজী আবুল বাশার, শ্রমিক দলের সভাপতি নুরুল ইসলাম খান, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যালবার্ট পি কস্টা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান প্রমুখ।
/সিএ/এমও/