২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পেছনে সত্যিকার অর্থে কারা ছিল, কেন ওই ঘটনা ঘটেছিল অর্থাৎ ওই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হওয়া দরকার। দেশে জনগণের ভোটে কখনও গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে উপযুক্ত তদন্তপূর্বক ওই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার যাতে হয় আমাদের সেই আহ্বান থাকবে।’
শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে এনপিপি চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। পিলখানায় নিহত শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে ২০ দলীয় জোট শরিক ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান হয়।
২০০৯ সালে সংঘটিত পিলখানা ট্র্র্যাজেডির প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম বলেন, যে সরকারের আমলে এই ঘটনা ঘটেছে দায় সেই সরকারের ওপরই বর্তায়। ওই ঘটনার তদন্তে সামরিক-বেসামরিক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোনোটিরই তদন্ত প্রতিবেদন এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সভাপতির বক্তব্যে এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার সামরিক ও বেসামরিক তদন্ত প্রতিবেদন অবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে। পিলখানার বিদ্রোহের ঘটনায় অনেক বিডিআর সদস্যের বিচার হয়েছে। তবে তাদের স্বজনরা মনে করেন তারা ন্যায় বিচার পাননি। তারা ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। আমরাও মনে করি, ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার সঞ্চালনায় এতে আরও উপস্থিত ছিলেন-২০ দলীয় জোট শরিক জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, এনপিপির যুগ্ম-মহাসচিব মো. ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।