জনগণের পকেট কাটা বেশি দিন চলতে দেওয়া হবে না: ফখরুল

ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জনগণের পকেট কাটা আর বেশি দিন চলতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৩ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পেশাজীবী সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে 'মুক্তিযুদ্ধে পেশাজীবীদের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'যখন প্রত্যেকটা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ছে তখন গ্যাসের দাম বাড়িয়ে সরকার জনজীবন ওষ্ঠাগত করছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জনগণের পকেট কাটা আর বেশি দিন চলতে দেওয়া হবে না। এখনও সময় আছে জনগণের কাছে করজোড়ে ক্ষমা-ভিক্ষা চান। না হলে পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না।'

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো সেগুলো এই আওয়ামী লীগ সরকার ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে মানুষকে নির্যাতন-অত্যাচারের ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ ও নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য এসেছে সেগুলো স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লজ্জা।'

ফখরুল বলেন, 'দুই-তিন দিন আগে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিগুলো। কোথাও সেটা ২৪ পার্সেন্ট বা ১৫ পার্সেন্ট বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিলো। কিন্তু গণশুনানিতে সেটা আবার ২০ পার্সেন্ট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের দেশে যে পরিমাণ গ্যাস আছে সেগুলো উত্তোলন করার কোনও প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে না।'

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন পেশাজীবী সমন্বয় কমিটির সভাপতি ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপি মহানগর উত্তরের আহবায়ক আমানউল্লাহ আমানসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ।