বিএনপির স্থায়ী কামটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন ঠাট্টা-মশকরা করার জায়গা। সকালে এক কথা বিকালে আরেক কথা বলে সাবেক নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদাকে ইতোমধ্যে হার মানিয়ে দিয়েছেন। যার কাজ সে করবে, নির্বাচন কমিশন এত কথা বলে কেন?’
বুধবার (২৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণসভার আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবক দল।
গয়েশ্বর বলেন, ‘কে নির্বাচনে আসবে, কে আসবে না তাতে কিছু আসে যায় না। এত দায়িত্ব আপনাদের (নির্বাচন কমিশন) দেয়নি। রাজনৈতিক সমস্যার মীমাংসা হবে রাজনৈতিকভাবে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন– সরকার চিন্তা করবে কীভাবে তারা জনগণের সঙ্গে মীমাংসা করবে।’
তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ নেই, তাহলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে টাকা গেলো কোথায়? বিদ্যুতের জন্য যে টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ করা হয়েছে তা কোথায় গেলো? বিদ্যুৎ পাবো না, তাহলে আমরা সেই ঋণ পরিশোধ করবো কেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘যেসব কোম্পানিকে কুইক রেন্টাল বেসিসে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নিয়োগ দিয়েছেন তাদের ব্যাংক থেকে কত টাকা ঋণ দিয়েছেন, তাদের কত বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কথা ছিল, কতটুকু করতে পেরেছে, কতটুকু সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে, তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। জনগণের সেই হিসাব চাওয়ার অধিকার আছে।’
বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘নির্বাচন ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান হচ্ছে জনগণের ভোট জনগণ দেবে, যাকে খুশি তাকে দেবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিরাপদে ভোট দেবে। একটা ফয়সালা করতে হবে রাজপথে। এর জন্য আমাদের সেভাবেই এগোতে হবে। এই সরকারকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচনে যাবো না।’
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ।