বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী আহমেদ উল্লেখ করেন, কয়েকদিন আগে ডেইলি স্টারের ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যমকে ‘সাহস করে সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার’ পরামর্শ দেন। তিনি গণতন্ত্রের জন্য মুক্ত গণমাধ্যমের অপরিহার্যতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’। কিন্তু বাস্তবে আমরা কী দেখতে পাচ্ছি? সরকার রাষ্ট্রপতির এ বক্তব্যের উল্টো কাজ করছে।
রিজভী আরও বলেন, আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কারারুদ্ধ। তিনি আজ সরকারের সীমাহীন জুলুমের শিকার। উচ্চ আদালত থেকে তার সবগুলো মামলায় জামিন হয়েছে এবং কোর্ট থেকে জামিননামাও যথারীতি কারাগারে পৌঁছেছে। কিন্তু তাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না।
রিজভী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড, বিচারপতির স্কাইপ কেলেঙ্কারি, শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি, পদ্মা সেতু-হলমার্ক-বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে তার পত্রিকায় অনুসন্ধানী রিপোর্ট ছাপা হয়েছে। এ কারণেই সরকার তাকে অন্যায়ভাবে অত্যন্ত বর্বর কায়দায় গ্রেফতার করে। এরপর ১৯ দিন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালায়। তার বিরুদ্ধে ৭০টি মামলা দেওয়া হয়।
বর্তমানে সরকারের এটার্নি জেনারেলের কাজই হচ্ছে জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে জেল থেকে বের হতে না পারেন সে চেষ্টা করা বলেও অভিযোগ করেন রিজভী।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমেদ প্রমুখ।
/সিএ/এজে/