জনগণ ক্ষমতায় পাঠালে অর্থনীতিকে রক্ষা করবো: খন্দকার মোশাররফ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং অর্থনীতিকে মেরামত করতে আমরা আন্দোলন করছি। জনগণ যদি আমাদের ক্ষমতায় পাঠায় আমরা এই কাজগুলো আন্তরিকতার সঙ্গে করবো। দেশ, জনগণ ও অর্থনীতিকে রক্ষা করবো। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্স সেন্টার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে জনগণ আগামী দিনের ক্ষমতায় বসাবে।’

গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার আগে উদ্ধার করা জরুরি মন্তব্য করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার আগে গণতন্ত্র থাকতে হবে। দেশে আজ গণতন্ত্র অনুপস্থিত। তাকে উদ্ধার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ এই সরকারকে চায় না, বিএনপির গত আটটি সমাবেশে তারা এই বার্তা দিয়েছে। আমরা ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ থেকে এই সরকারের বিদায়ের জন্য কর্মসূচি ঘোষণা করবো। এ দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে, একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। সরকারের কর্মকাণ্ডে বিএনপির তিন ঘণ্টার সমাবেশ তিন দিন হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল তিন ঘণ্টা। সরকারের কার্যকলাপে এটা তিন দিন, কোনও কোনও ক্ষেত্রে চার দিনও হচ্ছে। আমাদের সাত জন মারা গেছেন। তাতে কী? সরকার আমাদের মাঝে ভয় সৃষ্টি করার জন্য এটা করেছে। কর্মীদের মাঝে থেকে আমার এটা মনে হয়েছে।’

সরকারকেই এখন বিরোধী দল মনে হয় উল্লেখ করে দুদু বলেন, ‘আমি যে হোটেলে ছিলাম তার সামনে আওয়ামী লীগের মিছিল দেখে মনে হয়েছে আমি মনে হয় সরকারে আছি। আর ওরা বিরোধী দল। আওয়ামী লীগ স্বভাবগতভাবে সবসময় বিরোধী দলে ছিল। সরকারে গেলেও তাদের ভাব থাকে বিরোধী দলের মতো।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী, এসএওয়াইআরসির চেয়ারম্যান সুমন হক।