পদত্যাগপত্র জমা দিতে স্পিকারের কাছে বিএনপির এমপিরা

জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে সশরীরে পদত্যাগপত্র জমা দিতে গেছেন বিএনপির পাঁচ সংসদ সদস্য। রবিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে সংসদ ভবনে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর দফতরে যান তারা।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) গোলাপবাগ সমাবেশে ঘোষণার পরদিন আজ সংসদে গিয়ে সশরীরে পদত্যাগপত্র জমা দিতে গেলেন তারা।

বিএনপির সাত সংসদ সদস্যের মধ্যে আব্দুস সাত্তার অসুস্থ থাকায় এবং হারুনুর রশিদ বিদেশে থাকায় অনুপস্থিত রয়েছেন। বেলা ১১টায় সংসদে প্রবেশের সময় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা পদত্যাগপত্র জমা দিতে যাচ্ছি।’ তারা গতকালই ইমেইলের মাধ্যমে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানান।

শনিবার সমাবেশে সংসদ সদস্যরা বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তারা পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন।

৩৫০ আসনের সংসদে বিএনপির সাত জন সংসদ সদস্য হলেন উকিল আব্দুস সাত্তার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), হারুনর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), জি এম সিরাজ (বগুড়া-৭), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), জাহিদুর রহমান (ঠাকুরগাঁও-৩), মোশাররফ হোসেন (বগুড়া-৪) ও রুমিন ফারহানা (সংরক্ষিত নারী আসন)।

এদের মধ্যে হারুন বিদেশে রয়েছেন। তিনি পদত্যাগপত্র স্বাক্ষর করে পাঠিয়েছেন বলে জানানো হয়। অন্যরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে ভোটে অংশ নিয়েছিল। সেই নির্বাচনে বিএনপির ছয়জন বিজয়ী হন, পরে সংরক্ষিত নারী আসনের একটি পায় দলটি। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে শুরুতে বিএনপি জানিয়েছিল, তারা সংসদে যাবে না। পরে সিদ্ধান্ত বদলে শপথ নেন দলটির সংসদ সদস্যরা।

সদস্যদের আসন শূন্য হওয়ার বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭ (২) এ বলা হয়েছে- কোনও সংসদ সদস্য স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পিকার কিংবা স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে বা অন্য কোনও কারণে স্পিকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পিকার যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।