বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের পর দলটির আরও পাঁচ নেতাকে কারাগারে ডিভিশনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন (সম্পূরক আবেদন) জানানো হয়েছে।
তারা হলেন– বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন খান।
আবেদনগুলো শুনানির পর বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) আদেশের দিন ধার্য করে করেছেন।
এর আগে বুধবার সকালে সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী আদালতে মির্জা ফখরুল ইসলাম ও মির্জা আব্বাসের সঙ্গে আরও পাঁচ জনের পক্ষে কারাগারে ডিভিশন সুবিধা চেয়ে সম্পূরক আবেদন করেন। পরে ওই আবেদন শুনে আদালত আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছু দাবিতে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করে বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ ডিসেম্বর বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আহত হন অনেকে। পরে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালানো হলে সেখানে অনেক ককটেল পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ।
এ ঘটনায় পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গত ৭ ডিসেম্বর মামলা করেন। মামলায় ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দেড় থেকে দুই হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। এ মামলায় মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
ওই মামলায় গত ১২ ডিসেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২২৪ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত এই আদেশ দেন।