আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটিতে আগামী দিনের আন্দোলনের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায় বিএনপি। দলটির নেতারা ঈদের ছুটিতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলবেন। এ কারণে বেশিরভাগ সক্রিয় নেতাই এবার ঈদ করবেন নিজ নিজ এলাকায়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে চূড়ান্ত আন্দোলন-সংগ্রামের দ্বারপ্রান্তে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন নেতারা। দলের সক্রিয় নেতারা এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণের সঙ্গে থাকবেন।’
শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। তিনি সেখানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। মির্জা ফখরুল ঈদের পরদিন ঢাকায় ফিরবেন। ঈদের দিন বিএনপির সিনিয়র নেতারা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।
অসুস্থ থাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সিঙ্গাপুরে রয়েছেন। এছাড়া মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। ড. আবদুল মঈন খান তার নির্বাচনি এলাকা নরসিংদীতে ঈদের নামাজ আদায় করে ঢাকায় ফিরবেন।
শায়রুল কবির জানান, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঈদের সময় লন্ডনে থাকতে পারেন। এরপর তিনি সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন। দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ভারতে অবস্থান করছেন, তিনি সেখানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
দলীয় সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুও দেশের বাইরে ঈদ করবেন।
শায়রুল কবির খান উল্লেখ করেন, বিএনপি সিনিয়র ও গুরুত্বপূর্ণ নেতারা নিজ নিজ এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন। বিএনপি মিডিয়া সেল আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন ও সদস্য সচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ঈদের সময় নিজ নিজ এলাকায় থাকবেন।