২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার আয়োজনকে স্মরণীয় করে তুলতে নানামুখী আয়োজন হাতে নিয়েছে বিএনপি। জোর প্রস্তুতিতে এগিয়ে চলেছে পূর্বাচলে সংবর্ধনার আয়োজন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সরেজমিন আয়োজনের অগ্রগতি লক্ষ করা গেছে।
সকাল থেকে আয়োজন, কয়েক স্তরের নিরাপত্তা
রাজধানীর পূর্বাচলে তিনশত ফিট সড়কের কুলির মোড় থেকে বেশ খানিকটা দূরে সড়কের উত্তর অংশে বাঁশের মঞ্চ বানানো হচ্ছে। দক্ষিণমুখী মঞ্চে বসানো হয়েছে কাঠের পাটাতন।
মঞ্চের দুই পাশে তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে—যেখানে আপাতত ডেকোরেটরের সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। রাস্তার ল্যাম্প পোস্টে লাগানো হচ্ছে মাইক।
সোমবার বিকালে মঞ্চের আশপাশে উৎসুক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জড়ো হয়ে আছেন। কেউ কাজের তদারকি করছেন, আর কারও সাংগঠনিক কাজে মনোযোগ। দলটির সিনিয়র নেতারাও আসছেন, কাজের অগ্রগতি দেখছেন।
প্রস্তুতি সম্পর্কে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘‘আমাদের এখানে যারা ডেকোরেটরের কাজ করছেন… মাইক লাগানো হচ্ছে। নিরাপত্তার বিষয়টা আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘সব কিছু তো আমাদের হাতে নাই। আমাদের ছেলেরা রাউন্ড দ্য ক্লক এখানে আছে, কাজ করছে। যাদের দায়িত্ব স্টেজ বানানো, মাইকের কাজ এগুলো চলছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে পুরো জাতি একটা শঙ্কার মধ্যে আছে, প্রতিটি মুহূর্তেই। নিরাপত্তা যতটুকু এনসিওর করা দরকার, আমরা চেষ্টা করছি। বাকিটা আল্লাহর হাতে। সরকারের পক্ষ থেকে অসহযোগিতা নাই।’’
পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। সোমবার অন্তত ৩০ জন পুলিশ দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট জোনের পুলিশ ইন্সপেক্টর টি এম আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। তবে এটা রেগুলার চেকপোস্ট— যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনও ঘটনা না ঘটে। এখানের অবস্থা ভালো। গাড়ি আসতেছে, তাদের চেক করা হচ্ছে।’’
আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘‘তিনশ’ ফিটে সংবর্ধনা হবে। সেখানে নানা আয়োজন থাকবে বলে আশা করছি। পুরো শিডিউল নির্ধারণ হলে জানাতে পারবো।’’
সূত্র জানিয়েছে, সরকারি ও দলীয় মিলিয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মূল মঞ্চ, গণমাধ্যমের কর্মীরা নিরাপত্তা বলয়ে থাকবেন।