বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সংকট নিরসনে প্রতিনিয়ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। বিশেষ করে হামের প্রাদুর্ভাবের চিকিৎসায় যেন কোনও ঘাটতি না হয়, সে জন্য সার্বিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ডেঙ্গু প্রতিরোধেও কাজ করছেন তিনি। বিগত দিনে প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করার জন্য নিজেই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এটি যারা বাস্তবায়ন করবেন, তাদেরও আন্তরিকতা জরুরি। এতে যেন কোনও ঘাটতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কেবল জাতীয় পর্যায়েই নয়, দেশের একদম প্রান্তিক অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে। করোনা মহামারি, অতিবৃষ্টি, বন্যা কিংবা শীতের প্রকোপ—প্রতিটি জাতীয় সংকটে প্রবাসে থেকেও তিনি প্রতিনিয়ত নির্দেশনা দিয়েছেন এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের যাদের নাম অবিভাজিতভাবে উচ্চারিত হয়, তারা হলেন জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া।
এ সময় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দেন রিজভী। তিনি জানান, শুধু এ সময় নয় বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলেও এ সংগঠনটি নানা রকম মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়েছে। বিশেষ করে করোনা, হাম ও উত্তরাঞ্চলের বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা।
এছাড়া দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যাওয়া মানুষকে কৃত্রিম পা সংযোজন, বৃক্ষরোপণ এবং চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার মতো অসংখ্য মানবিক কাজ পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড. মোর্শেদ হাসান খানসহ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ পেশাজীবী নেতারা।