তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে জামায়াত আমিরের সংহতি ও শুভেচ্ছাপত্র

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের অভ্যুত্থান দমনে দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। জামায়াত আমিরের পক্ষ থেকে রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের উদ্দেশে সংহতি ও প্রশংসাপত্র সম্বলিত এক চিঠিতে এসব কথা বলা হয়।

রবিবার (১৯ জুলাই) জামায়াতের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার ঢাকায় অবস্থিত তুরস্ক দূতাবাসে গিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের হাতে এ চিঠি তুলে দেন।

চিঠিতে ডা. শফিকুর রহমান ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্কে সংঘটিত ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টার সময় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্ব, তুর্কি জনগণের ঐক্য, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের অবিস্মরণীয় ভূমিকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সংহতি প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি প্রযুক্তি, অর্থনীতি, আত্মনির্ভরশীলতা, শিল্পোন্নয়ন এবং মুসলিম বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্কের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। 

চিঠিতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।

চিঠি হস্তান্তরের পর তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মিয়া গোলাম পরওয়ারকে তুরস্ক দূতাবাসে স্থাপিত ১৫ জুলাইয়ের গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য দিবস উপলক্ষে নির্মিত আলোকচিত্র গ্যালারি ঘুরে দেখান।

এ সময় তিনি ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টার সময়কার বিভিন্ন ঐতিহাসিক মুহূর্ত, তুর্কি জনগণের প্রতিরোধ এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তাদের আত্মত্যাগের নানা দিক তুলে ধরেন।

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্য আলী আহসান মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।