লংমার্চে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি এনসিপির আহ্বান

আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চে বাধা আসলেও সফল করা হবে কর্মসূচি, এমনটা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। একই সঙ্গে লংমার্চের পুরো পথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন‌। 

সারজিস আলম বলেন, “ক্ষমতাসীনদের কেউ যেন হামলা করে দায় আমাদের ওপর দিতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” 

সংবাদ সম্মেলনে সদস্য সচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সরকার। জনভোগান্তি নিরসন করা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এই লংমার্চ কর্মসূচি। এতে অংশ নেওয়ার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। 

দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, লংমার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি নেওয়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও জ্বালানি সংকট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনায় নিয়ে সেই সংখ্যা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে নামানো হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, “লংমার্চ সফল করতে ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে সড়কে ‘এক লাইনে’ চলবে তাদের গাড়িবহর।” যানজটে পড়ে কোনও অ্যাম্বুলেন্স যেন আটকে না পড়ে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেন এনসিপির এই নেতা। 

সংবাদ সম্মেলনের আগে এনসিপির কার্যালয়ে একটি সমন্বয় সভা হয়। সেখানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে দলের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা তাতে অংশ নেন। 

উল্লেখ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধের ৬ দফা দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াত-জোট।