রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে কী কী সিদ্ধান্ত নিলো এনসিপি

দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠক থেকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বাংলা মোটরে দলীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। 

বৈঠক শেষে দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ও দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও দখলবাজি গভীর উদ্বেগজনক। এতে দলটি ক্ষুব্ধ। এ কারণে  দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয় গণভোটের গণরায় অগ্রাহ্য করে প্রহসনমূলক সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের দরুন সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরিয়েছে। এর দায় সরকারকে নিতে হবে। একদলীয় এই কমিটির কোনও গণবৈধতা নাই।

এছাড়া স্থানীয় সরকার নিয়ে দলের কৌশল বিষয়ক আলোচনা হয়েছে। দেশের সব জেলা কমিটি সম্পন্ন ও অক্টোবরের মধ্যে  উপজেলা কমিটি গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হযেছে। এতে আরও জানানো হয়, সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদসহ কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন ও দায়িত্ব বন্টনের রূপরেখা চূড়ান্ত। অচিরেই আসবে ঘোষণা। ২৩ সদস্য বিশিষ্ট সাংগঠনিক উপ-কমিটি হবে। সারজিস আলম সাংগঠনিক উপ-কমিটির প্রধান। রাজনৈতিক পর্ষদ থেকে দুইজন উপ-প্রধান থাকবে। প্রতি বিভাগে একজন করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক থাকবে।

বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এর দায়িত্বে থাকবেন সারজিস আলম, সারোয়ার তুষার, আলী আহসান জুনায়েদ ও সালেহ উদ্দিন সিফাত।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আব্দুল্লাহ আলামিন, ড. আতিক মুজাহিদ, সারোয়ার তুষার, আরিফুল ইসলাম আদীব, মাহমুদা মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, সালেহউদ্দিন সিফাত, আকরাম হোসাইন।