নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘মওলানা ভাসানী আমৃত্যু তিনি সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই আর সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অবতীর্ণ ছিলেন। ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে, দেশের স্বার্থে-মানূষের স্বার্থে।’ তিনি বলেন, ‘নাসিরনগরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, গাইবান্ধায় সাওতালদের ওপর হামলা, সব কিছুর সঙ্গেই আওয়ামী লীগ জড়িত। আর সরকার প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে বিভিন্ন নাটক সাজাচ্ছে। সরকারেরে এই চেষ্টা তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে উঠবে। বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রহীন, ভোটবিহীন সংসদ। মওলানা ভাসানীর প্রদর্শিত পথেগণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে জেবেল রহমান গাণি বলেছেন, ‘রাজনীতি আর সংগ্রামের মাধ্যমে একটি জাতিকে জাগিয়ে তোলেন যিনি, তিনিই ভাসানী। ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে এক প্রবলপ্রাণ বিদ্রোহীর নাম, মানবতার তূর্যবাদক এক সেনানির নাম মওলানা ভাসানী।’ তিনি বলেন, ‘মজলুম জননেতা ৯৬ বছর বয়সে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ফারাক্কা লংমার্চের মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছিলেন। যা এখন ধারণ করছে। মওলানা ভাসানীর ধানের শীষ প্রতীক জিয়াউর রহমানে হাতে তুলে দিয়েছিলেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া। সুতরাং তাদের অনেক বেশি দায়িত্ব। মওলানা ভাসানীকে তাদের ধারণ করতে হবে, তাহলেই মুক্তি।’
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মওলানা ভাসানী রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাননি বটে, তবে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা পরিবর্তনের অনুঘটক ছিলেন। আজ মওলানা ভাসানীকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু, ষড়যন্ত্রকারীরা জানে না, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন মওলানা ভাসানী দেশপ্রেমিক মানুষের হৃদয়ে থাকবেন।’
/এসটিএস/এমএনএইচ/