নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি দেখা না করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করতে বলেছেন বলে জানান ববি হাজ্জাজ।
সংবাদ সম্মেলনে ববি হজ্জাজ বলেন, ‘আমি আমার নিজের এলাকার অনেক সেন্টারে ঢুকতে পারিনি। নবাবপুর হাইস্কুল কেন্দ্রে আমি ঢুকতে পারিনি। সেখানে যখন বাধা দেওয়া হচ্ছিল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাউকে পাইনি।’
ইভিএম কেন্দ্রের অভিযোগ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইভিএমের কেন্দ্রে অভিনব’ কায়দায় কারচুপি করা হচ্ছে। আমরা তো আগে ভেবেছিলাম মেশিন ম্যানিপুলেশন হবে। এখন তো ভোটকেন্দ্রই দখল হচ্ছে। দু’ভাবে ইভিএমের কেন্দ্রে ভোট কারচুপি করা হচ্ছে। বুথে গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে লাঙ্গল মার্কার লোকেরা ভোটারকে বলছেন কোথায় ভোট দেবেন। তারা সব ভোটারের কাছে এসব জানতে চাচ্ছেন। আর ভোটারের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) রেখে দিয়ে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।’
তার অভিযোগ অনুযায়ী, যেসব কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- গেন্ডারিয়া হাইস্কুল, কবি নজরুল কলেজ, শের-ই বাংলা হাইস্কুল, মনিজা রহমান বিদ্যালয়, সেন্ট জোসেফ স্কুল, সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার, কে এল জুবলি স্কুল, ফরাশঞ্জ কমিউনিটি সেন্টার, সিলভার ডেল স্কুল, ইস্ট বেঙ্গল স্কুল, ওয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাঈদ খোকন কমিউনিটি সেন্টার।
এসব কেন্দ্রে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির নেতা কাজী ফিরোজ রশিদের কর্মী সমর্থকরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ করেন ববি হ্জ্জাজ। তিনি বলেন, ‘হামলায় আমার চারজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি কেন্দ্রে এনডিএম প্রার্থীর এজেন্টকে কাজী ফিরোজ রশীদ নিজেই মেরে বের করে দিয়েছেন।’
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর ২০০ জনের মতো লোক বাইরে অবস্থান করছে। আর কেন্দ্রের ভেতরে ভোটকক্ষে ৪০-৫০ জন অবস্থান নিয়েছে। এসব অনিয়মের কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ১২টি কেন্দ্র বের করে দেওয়া অভিযোগ করেছি। কিন্তু বন্ধ হয়নি। এদিকে নির্বাচন কমিশনও কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ইসি সচিব বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া অভিযোগ তারা পেয়ে যাবেন। এখন কি আর করবো।’