শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিপ্লবী কৃষক সংহতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী বক্তব্যে সাইফুল হক এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় অর্থনীতিকে কৃষক ও কৃষিখাত বিরাট অবদান রাখলেও দেশের রাজনীতি ও নীতিনির্ধারণে তার প্রতিফলন নেই। সরকারসহ সবাই উৎপাদনশীলতার জন্য কৃষকদের প্রশংসা করে, কিন্তু তাদেরকে প্রয়োজনীয় আর্থিক প্রণোদনা ও সহযোগিতা দেয় না। বাজার ও উৎপাদন কৃষকের নিয়ন্ত্রণে না থাকায় ফসলের লাভজনক মূল্য থেকে কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছে। উৎপাদক চাষিরা কিনতেও ঠকে আবার বিক্রি করতে গেলেও ঠকে।’
সাইফুল হকের অভিযোগ, বাম্পার উৎপাদনের জন্য কৃষকদের পুরস্কৃত না করে পরোক্ষভাবে তাদেরকে ঠকিয়ে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সমাবেশে সংগঠনের সভাপতি কৃষক নেতা আনছার আলী দুলালের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ আহমেদ।
উদ্বোধনী সমাবেশ ও র্যালির পর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে সংগঠনের কাউন্সিল অধিবেশ শুরু হয়। কাউন্সিলে আন্দোলনগত ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আনছার আলী দুলাল।
কাউন্সিলে গৃহীত এক প্রস্তাবে ভারতে মোদি সরকারের কৃষিবিরোধী নীতির প্রতিবাদে দিল্লী অবরোধকারী কৃষক আন্দোলনের প্রতি সংহতি ও একাত্মতা প্রকাশ করা হয় এবং অবিলম্বে কৃষকদের বাঁচার দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।