ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলনের ঢাকা মহানগর শাখা। সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা না করেই হুট করেই ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের ফরমান জারি জনগণ মেনে নেবে না।
শুক্রবার (২৫ জুন) বিকেল চারটায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে গুম-খুন-হত্যা-ধর্ষণ বন্ধ, সকলের টিকা নিশ্চিত ও ভোটাধিকারসহ জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতে সমাবেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করার প্রতিবাদ করেন সংগঠনটির নেতৃত্ববৃন্দ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনিরুদ্দীন পাপ্পু।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘করোনার এই দুর্যোগকালে নিম্নআয়ের মানুষেরা যখন রিকশা চালিয়ে কোনওভাবে পরিবহন খাতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পেটের ভাত জোগাড় করছেন। তখন এই সরকার তাদের পেটে লাথি মারছেন পুলিশ বাহিনী বা তাদের তথাকথিত প্রশাসনের মাধ্যমে। একটা সরকার কতটা জনগণবান্ধব তা প্রমাণ পাওয়া যায় সাধারণ মানুষকে উন্নয়ন প্রকল্পে সংযুক্ত করতে পারছে কিনা তার ভিত্তিতে। যা এই সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। জনগণের ট্যাক্স দিয়ে এতসব উন্নয়ন করেই জনগণের পেটে লাথি মারছে এ সরকার। কিছুদিন আগে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান উচ্ছেদের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। কারণ, এটাতে বিদ্যুতের অপচয় ও দুর্ঘটনা বেশি হয়। আপনারা চাইলেই বুয়েট থেকে উপযুক্ত মডেলের রিকশা নিতে পারেন যেটাতে দুর্ঘটনা কম হবে। বিকল্প ব্যবস্থা না করেই হুট করেই ফরমান জারি করলেই জনগণ তা মেনে নেবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার নিজের কিছু আর্থিক লাভের জন্য এখনও জনগণের টিকার ব্যবস্থা করেনি। শুধু তা-ই নয়, তারা এমন একটা যায়গায় পৌঁছে গেছে যেখান থেকে আর জনগণকে ভোট দিতে হয় না। এখন সরকারই জনগণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন তাসলিমা আখতার, মনির উদ্দিন পাপ্পু, সূত্রাপুর থানার সংগঠক আলিফ দেওয়ান, কেরানীগঞ্জ থানার সংগঠক বেলায়েদ শিকদার, মিরপুর থানার সংগঠক মাহবুব রতন, মতিঝিল থানার সংগঠক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।