ভাড়া বাড়ানোকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম যদি ২৩ শতাংশ বাড়ে, তাহলে ১২-১৩ শতাংশের বেশি ভাড়া বাড়ানোর যুক্তি নেই। কিন্তু, বিভিন্ন লোক দালালি করে এই জিনিসটা বাড়িয়েছে।’
সোমবার (৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘সরকারি কোনও তথ্য-পরিসংখ্যান আমরা বিশ্বাস করি না। আমাদের বিদেশি রিজার্ভ সাড়ে সাত বিলিয়ন ডলারের বেশি, এটা তারা বলছে। এটা অদক্ষতার জন্য বলছে। অশিক্ষিত, অদক্ষ লোককে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে না রাখাই ভালো।’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে লুট করা হচ্ছ, মানুষকে অত্যাচার করা হচ্ছে। এই সরকারের বিরুদ্ধে যারা দাঁড়ায়, তাদের স্বাধীনতারবিরোধী বলে। আমরা স্বাধীনতারবিরোধী না, অত্যাচারী, অবৈধ ও অসৎ সরকারের বিরোধী।’
গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশের পর বিভিন্ন জেলায় মিছিল হয়েছে। সেই মিছিলে কিছু পুলিশ এবং রাজনৈতিক নেতারা বাধা দিয়েছে। এত ভয় কীসের? জনগণকে ভয় পাওয়া উচিত, সেটা ঠিক। জনগণের রাগ যদি বাড়ে, তখন আপনাদের সৈন, গুন্ডাবাহিনী দিয়ে ঠেকাতে পারবেন না। সেই সময়টা বেশি দূরে না।’
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন দলের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ‘সরকার তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে, মালিক-শ্রমিকদের দিয়ে ধর্মঘটের নামে নাটক করিয়েছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য। জনগণ রাস্তায় নামবে বলে আগেই পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম তেলের দাম কমানোর আন্দোলনকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে ভাড়া বৃদ্ধির আন্দোলনকে স্বাগত জানাতে পারছি না। এর আগেও আমরা দেখেছি অন্যান্য দলের সমাবেশ থাকলে পরিবহন অটোমেটিক্যালি বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন সংগঠন ও সরকার সবকিছু একরকম।’