‘উগ্রপন্থী বাম ও জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে’

সরকারপন্থী অন্তত ১২ থেকে ১৫টি ইসলামি দলের জোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ মার্চ) রাজধানীর তোপখানা রোডের বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সভায় এই জোট গঠনের প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ আউয়ালের সভাপতিত্বে ‘স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ইসলামি দল ও সমমনা দলের বৃহত্তর ঐক্য এখন সময়ের দাবি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ বিষয় ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় এম এ আউয়াল বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের মানুষকে যাতে ভালো রাখতে পারি, দেশের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। এই ঐক্য সৃষ্টি করা আজ সময়ের দাবি। আমাদের আগের যে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স, সেটাকেই আমরা পূর্ণ গঠন করতে যাচ্ছি। সবাই বলেছেন এ জন্য একটা ঘোষণা দরকার। সবার সঙ্গে বসে আলোচনা করে আমরা দ্রুত একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করবো। এর মাধ্যমে শুধু নির্বাচন নয়, সাধারণ মানুষের যেসব সমস্যা আছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। রাজপথেও থাকতে হবে এবং নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।’

বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম আমাদের নিজের পায়ে হাঁটবো। কিন্তু জাতীয় প্রয়োজনে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি ২০০৫ সাল থেকে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগে থেকে। মহাজোট নামটা আমার মুখ থেকেই এসেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ যা করে আমরাও যদি তা-ই করতাম, তাহলে আমরা আওয়ামী লীগই হতাম। মন্ত্রী হওয়ার জন্য চিন্তা করিনি।’

মিছবাহুর রহমান বলেন, ‘উগ্রবাদী দলগুলোকে নিষিদ্ধ করতে হবে। উগ্রবাদী শুধু ইসলামি দল নয়, উগ্রবাদী বাম, জামায়াতও আছে তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

সভায় সূচনা বক্তব্য দেন গণতান্ত্রিক ইসলামিক পার্টির মহাসচিব সাবেক পিপি এডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম খান।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ জনদলের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা হারিসুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, দেশপ্রেমিক জনতা দলের চেয়ারম্যান এডভোকেট জয়নুল আবেদীন খান, পিপলস জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার ড. এম হায়দার আলী, তৃণমূল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আক্কাস আলী খান, তৃণমূল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব কবি রোকসানা আমীন সুরমা, দেশপ্রেমিক জনতা দলের চেয়ারম্যান এডভোকেট জয়নুল আবেদীন খান, পিপলস জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার ড. এম হায়দার আলী, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, তৃণমূল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আক্কাস আলী খান, তৃণমূল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব কবি রোকসানা আমীন সুরমা, ইসলামি গণতান্ত্রিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মাসুদ আহম্মেদ এবং মো.ওমর ফারুক বাংলাদেশ তরিকত ফ্রন্ট চেয়ারম্যান মুফতি মেহেদী হাসান বুলবুল, সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. নীম চন্দ্র ভৌমিক প্রমুখ।