বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া

গণতন্ত্র মঞ্চের ইফতারে কী ঘটেছিল, ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খান

‘চলতি মাসেই আন্দোলনের যৌথ রূপরেখার ঘোষণা বিএনপি ও বিরোধী দলগুলোর’ শীর্ষক প্রতিবেদন শুক্রবার (৫ মে) প্রকাশিত হয় বাংলা ট্রিবিউনে। প্রতিবেদনে তাকে নিয়ে মন্তব্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা মো. রাশেদ খান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মঞ্চের শরিক একটি দলের প্রধান জানান, রমজানে গণঅধিকার পরিষদের নেতা রাশেদ খান প্রকাশ্যেই বিরূপ আচরণ করেন। এরপর একাধিক বৈঠকে দলটির প্রতিনিধিত্ব না থাকলেও সোমবার (৩ মে) গণতন্ত্র মঞ্চের বৈঠকে যোগ দেন রাশেদ খান। তিনি বৈঠকে তরুণ হিসেবে বিষয়গুলো (বিরূপ আচরণ) বিবেচনা করার আহ্বান জানান।’

শনিবার (৬ মে) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নিজের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশ উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘গতকাল (৫ মে) বাংলা ট্রিবিউনে আমাকে নিয়ে একটি মন্তব্য এসেছে। আমি এই ধরনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি কারও সঙ্গে বিরূপ আচরণ করিনি।’

গত রমজানে গণতন্ত্র মঞ্চের ইফতারের ঘটনা ব্যাখ্যা করে রাশেদ খান লেখেন, ‘ইফতার প্রোগ্রামে আমি ও গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকবর খানকে বলি, আজ আমাদের দলের প্রধান রেজা কিবরিয়া ভাই এসেছেন। গণতন্ত্র মঞ্চের আত্মপ্রকাশের দিন যে সিরিয়ালে বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল, গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়াকে সেই সিরিয়াল অনুযায়ী বক্তব্যে ডাকবেন। আকবর খান সেটি করেননি। তিনি ইফতার প্রোগ্রামের সভাপতি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর সঙ্গে কথা বলার জন্য বলেন। তখন গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান প্রধান সমন্বয়কারীকে অবহিত করেন।’

image (2)

রাশেদ আরও বলেন, ‘এরপর আকবর খান সিরিয়াল না মেনে ড. রেজা কিবরিয়াকে বক্তব্যের জন্য ডাকেন। তখন আমরা বলেছি, সিরিয়াল না মানলে ড. রেজা কিবরিয়া বক্তব্য দেবেন না। এটি আমাদের দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত। সে কারণে ড. কিবরিয়া বক্তব্য দিতে ওঠেননি। এরপর তিনি সদস্য সচিব নুরুল হককে ডাকেন। নুরুল হক তখন জানিয়ে দেন, আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া উপস্থিত থাকতে আমি কেন বক্তব্য দেবো? আমাদের কথা তো আপনাকে বলা হয়েছে। তখন আমি ও ফারুক হাসান আকবর খানকে বলি, আপনাকে নিষেধ করার পরও আপনার কাজটা করা ঠিক হয়নি।’

তিনি লেখেন, ‘সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে কোনও বিরূপ আচরণ করা হয়নি। প্রোগ্রাম শুরুর আগেই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছি। বরং জানানোর পরেও সিরিয়াল না মানার কারণেই আমাদের বিব্রত হতে হয়েছে অন্য সব রাজনৈতিক দলের সামনে, যা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সম্মানহানি হয়েছে বলে গণঅধিকার পরিষদ মনে করে।’

রাশেদ খান প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘এ বিষয়টি (ইফতারের ঘটনা) নিয়ে আমরা কোনও মন্তব্য পাবলিকলি করিনি। অথচ আপনার গণমাধ্যমে একপাক্ষিক বক্তব্য প্রকাশ পাওয়ায় আমার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা প্রকাশ পেতে পারে। তাই বিস্তারিত ঘটনা প্রকাশ করলাম।’

আরও পড়ুন:

চলতি মাসেই আন্দোলনের যৌথ রূপরেখার ঘোষণা বিএনপি ও বিরোধী দলগুলোর