ডিজিটাল বাংলাদেশে সামাজিক অবক্ষয় থামানো উচিত: আমু

দেশের নবীন ও প্রবীণদের মধ্যে চিন্তা-চেতনায় সামঞ্জস্যহীনতা দূর করতে হবে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, আজকে আমরা যতই ডিজিটাল বাংলাদেশ বলি, স্মার্ট বাংলাদেশ বলি— সামাজিক অবক্ষয় যতক্ষণ না রোধ হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এইগুলো ভিন্নখাতে প্রবাহিত হবে। ডিজিটাল বাংলা হওয়ায় আমরা অনেক দিকে প্রবাহিত হচ্ছি। সেই অবক্ষয়ের দিকগুলো আমাদের থামানো উচিত।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকালে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘৮০তে জনতার মেনন’ শিরোনামে রাশেদ খান মেননের জন্মোৎসব ও সম্মিলন সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খান মেননের রাজনৈতিক জীবনের বর্ণনা দিতে গিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, জাতির কাছে আমাদের প্রত্যাশা, বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে। এই যে তরুণ সমাজের দিকে তাকিয়ে আমরা হতাশ হই, ছাত্র সমাজের দিকে তাকিয়ে আমরা হতাশ হই। তাদেরকে স্মরণ করতে হবে বিগত দিনের এই সমস্ত নেতৃত্বকে, যারা ছাত্র সমাজের নেতৃত্ব দিয়ে জাতীয় জীবনে অবদান রেখেছেন। সেই ধরনের ছাত্রনেতা হওয়া উচিত, নতুনদের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত, যুবকদের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।

রাজনীতিকদের আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে তরুণ সমাজকে উজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, তাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা, আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণীয় করে রাখতে হবে। পাশাপাশি এইসব ইতিহাস তুলে ধরে তরুণ সমাজকে উজ্জীবিত করে, অনুপ্রাণিত করে এই দিকে এগিয়ে আসার জন্য ধাবিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

৮০তে জনতার মেনন উদযাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, সঞ্জীব দ্রং, অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল, লুৎফুন নেসা খান প্রমুখ।