মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাফেজ রেজাউল করীমের ‘হত্যাকারীদের’ গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। দলটির মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘গত ২৮ জুলাই বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে অনুষ্ঠিত যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের শান্তি সমাবেশে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে হাফেজ রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে হত্যা করে শান্তি সমাবেশের আসল চরিত্র প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (৫ আগস্ট) বিকালে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে ‘দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাফেজ রেজাউল করীম হত্যার প্রতিবাদ ও সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে’ নির্বাচনের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
অবিলম্বে রেজাউলের খুনিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আলেম-হাফেজের খুনিদের আড়াল করলে এই সরকার খুনি সরকার হিসেবে পরিগণিত হবে।’
সরকারের জনসমর্থন তলানিতে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মাইকিং করেও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে পারছে না। যা আসছে তাও আবার ১০ ভাগের কম। সরকারের পক্ষে এর চেয়ে বেশি জনসমর্থন নেই। আরও আছে চাঁদাবাজ, গুন্ডা ও মাস্তান। এর মাধ্যমে সরকার পুনরায় ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে আছে। বিরোধী দলের কর্মসূচির দিন শান্তি সমাবেশের নামে সমাবেশ ডেকে অশান্তি সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ।’
মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অনেক নেতারা বক্তব্যে বলছেন, খেলা হবে, আমরাও বলছি খেলা হবে। তবে পুলিশ বাদ দিয়ে আসুন, খেলা হবে।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, ‘রেজাউলের হত্যাকাণ্ডে আবারও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখলো দেশবাসী। সরকার আবারও অবৈধভাবে ক্ষমতায় যেতে চায়। জনগণ এই সরকারকে এক মুহূর্তও চায় না।’
দলটির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন– প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল হুদা ফয়েজী, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম প্রমুখ।