নিষেধাজ্ঞা দিয়ে গণ-আন্দোলন দমন করা যাবে না: ১২ দলীয় জোট

সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে জনগণের গণ-আন্দোলনকে দমন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বর্তমান সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিলে তারা এ কথা বলেন।

১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চলছে। গত ২৮ অক্টোবর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও বেপরোয়া হয়ে সারা দেশে গণগ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

তারা বলেন, একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এভাবে মদের আড্ডা, জুয়ার আড্ডা করা যায় কিন্তু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা যায় না।

এ দেশের মাটি আন্দোলনের জন্য উর্বর উল্লেখ করে তারা আরও বলেন,  দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণ সবসময় আন্দোলন করে সফল হয়েছে। এবারও দেশের জনগণ শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়ে সফল হবে। তবে আগামী ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ ভোট দেবে না। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফেরত চায়, এই সরকারের হাত থেকে মুক্তি চায়।’

বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ বক্তব্য রাখেন– জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাস খান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ প্রধান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, বাংলাদেশ এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব এম এ বাশার, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামি ঐক্য জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস রেজা।