এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্জু বলেছেন, এই অবৈধ ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের একতরফা পররাষ্ট্রনীতির সহোযোগিতায় যেভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করলো, তা আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের গণতন্ত্রকামী মানুষকে বলতে চাই, আপনারা আপনাদের সরকারকে বলুন— তারা যেন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে থাকে। স্বৈরতন্ত্রকে তারা যেন সমর্থন না দেয়।’
রবিবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বানোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। মঞ্জু বলেন, ‘আমরা মনে করি, তামাশার এই একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।’
মজিবুর রহমান মন্জু বলেন, ‘আমরা একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেখলাম, নির্বাচনি কেন্দ্রগুলোর বাইরে আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা লাইন ধরে আছে। কিন্তু তারা কেউ ভোট দিতে ঢুকছে না। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্র দেখা গেলো ভোটার শূন্য। বহু নির্বাচন কেন্দ্রে ভোটারের বদলে ছাগল, কুকুর, ভেড়া আর বানরের পাল দেখা গেছে। গোটা দেশের মানুষ এই তামাশার নির্বাচনকে এত চরমভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, যা আমাদের ধারণা বা প্রত্যাশারও বাইরে ছিল।’
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্জু ও যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। ফেলানী দিবসে তামাশার নির্বাচন করাকে প্রতিবাদ হিসেবে কালো দিন ঘোষণা করেছিল এবি পার্টি।