ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর সাংবিধানিক সংকট ও কাঠামো বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে এবি পার্টির আইনজীবীদের সংগঠন এবি পার্টি ল’ ইয়ার্স।
আইনজীবী নেতারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সংবিধান সচল রয়েছে না রহিত করা হয়েছে, তা সুস্পষ্ট নয়। তারা সাংবিধানিক অস্পষ্টতা শিগগিরই দূর করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ‘রেন্ডমলি পিক অ্যান্ড চুজ’-এর ভিত্তিতে চলছে; যা যেকোনও সময় জটিলতা তৈরি করতে পারে।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিজয় নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও সংবিধানের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবি পার্টির সহকারী সদস্য সচিব ও এবি লইয়ার্সের যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ও ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুইয়া।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী যে সংবিধান জনগণের আকাঙ্ক্ষা ছিল, তার কোনও প্রতিফলন না ঘটিয়ে একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ৭২-এর সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে সুস্পষ্ট উল্লেখ ছিল এই রাষ্ট্র হবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে। কিন্তু আমরা এমন একটা সংবিধান পেয়েছি, যার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পন্থায় একটি স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের জন্ম হয়।’