সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল বা ‘কবর’ দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছে না জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জামায়াতের পক্ষ থেকে এটিকে ‘ক্রেডিটবাজির রাজনীতি’ এবং এনসিপির নেতারা একে অসাংবিধানিক বক্তব্য ও নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৫৪ বছর ধরে সংবিধানে থাকা ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো উচিত।
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের মাধ্যমে বিতর্কিত ৭০ অনুচ্ছেদের বিলোপ বা ‘কবর’ দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে যেন ৭০ অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মুক্ত পরিবেশে রাষ্ট্রপতি ও অন্যান্য নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সবাইকে নিয়ে ৭০ অনুচ্ছেদ কবর দেওয়ার কথা বলছেন চিফ হুইপ
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় বাধ্য হয়ে বিদ্যমান আইনি কাঠামোর মধ্যেই সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতির যাবতীয় নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তবে ভবিষ্যতে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের মাধ্যমে বিতর্কিত এই ৭০ অনুচ্ছেদ ‘কবর’ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সংবিধান সংশোধন না করে তড়িঘড়ি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘‘অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে, যেভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও আসন পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) করা হয়েছে—তা সবই বিদ্যমান সংবিধান মেনে করা হয়েছে। পরবর্তীকালে এই সংবিধান অনুযায়ীই প্রতিনিধিরা ভোট দিয়ে শপথ নিয়েছেন এবং সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। ফলে বর্তমান কাঠামোতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় তা মেনে চলা ব্যতীত উপায় ছিল না।’’
চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘‘আমরা চাই আগামী নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করে এই ৭০ অনুচ্ছেদের কবর দেওয়া হোক। ভবিষ্যতে যেন ৭০ অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মুক্ত পরিবেশে রাষ্ট্রপতি ও অন্যান্য নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়।’’
বিএনপি ‘ক্রেডিটবাজি’ করতে চায়
৭০ অনুচ্ছেদ কবর দেওয়ার কথা বলে বিএনপি এখন ক্রেডিটবাজি করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি সবকিছুর কবর দিয়ে দিয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর এসে ৭০ অনুচ্ছেদের কবর দেওয়ার কথা বলে তারা ক্রেডিটবাজির রাজনীতি করতে চায়। তারা ইতোমধ্যে অপসংস্কৃতির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছে।’’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়েই সব সংস্কার ও ভালো কাজ করা সম্ভব। ৭০ অনুচ্ছেদের বিষয়টি একটি সেটেল ইস্যু। এটা নিয়ে বিএনপি এখন নতুন করে ক্রেডিটবাজির রাজনীতি করতে চায়। যদি তারা আসল অর্থেই করতে চাইতো—তাহলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেই করতো। কিন্তু তারা তা করেননি। তারা এমপিদের স্বাধীনতা খর্ব করে এখন মায়াকান্না করছে। এখন নির্বাচন শেষে জনগণকে আবারও ধোঁকা দিতে এমন বক্তব্য দিচ্ছে। তাদের এমন বক্তব্যকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না, তারা ধোঁকাবাজ।’’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘‘বিএনপি পুরোনো পদ্ধতিতে দেশ পরিচালনা করছে। সবকিছুতে দলীয়করণ দখলদারত্ব লুটপাট করছে। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে অনেক বড় ভুল করছে। আমরা বাধ্য হচ্ছি জনগণকে সাথে নিয়ে মাঠে নামতে। আমরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে তাদের রায় বাস্তবায়ন করতে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।’’
৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চিফ হুইপের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না এনসিপি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি তার দলীয় সংসদ সদস্যদের ৭০ অনুচ্ছেদের জুজু দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘‘৭০ অনুচ্ছেদ না থাকলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবই জিততেন। কিন্তু ৭০ অনুচ্ছেদের জুজু দেখানো—এটা হলো একটা অসাংবিধানিক ব্যাপার।’’
সারোয়ার তুষার বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদের যে প্রয়োগযোগ্যতা, যেটা উনি বলছেন—এটা একটা সংবিধানের ভুল ব্যাখ্যা। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে উনি দলীয় সবাইকে ভয় দেখিয়েছেন যে দলের প্রার্থীকে ভোট না দিলে সংসদ সদস্য পদ চলে যাবে। ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উনি এটা বলতে পারেন না। এটা একটা অসাংবিধানিক এবং বেআইনি হুঁশিয়ারি উনি দিয়েছেন।’’
এর ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কারণ হলো ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে শুধু সংসদ অধিবেশনে। সংসদ অধিবেশনে কোনও সংসদ সদস্য দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারবেন না। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কোনও সংসদ অধিবেশন ছিল না। এটা ছিল একটা নির্বাচন। নির্বাচনটা প্রিসাইড করেছেন বা রিটার্নিং অফিসার ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ফলে এটা একটা নির্বাচন। আপনি জাতীয় নির্বাচনে যেমন স্কুলে আপনার ভোটকেন্দ্র হয়, এ ক্ষেত্রে সংসদ ভবন ছিল ভোটকেন্দ্র। অর্থাৎ এটা সংসদ ভবন ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র। এটা একটা নির্বাচন, এটা কোন সংসদ অধিবেশন ছিল না। ফলে এখানে ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হওয়ার কোনও কারণ নাই।’’
চিফ হুইপের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘‘৭০ অনুচ্ছেদের কবর রচনা করবেন ওনারা? ওনারা তো জুলাই সনদেরই কবর রচনা করে ফেলতেছেন। জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। সেটা কি হয়েছে? সেটা তো হয় নাই। জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলে গোপন ব্যালটে নির্বাচন হওয়ার কথা। ওনারা একদিকে জুলাই সনদ কবর রচনা করেন, আবার বলছেন ৭০ অনুচ্ছেদের ওনারা কবর রচনা করবেন। ৭০ অনুচ্ছেদে সবাই যেখানে একমত হয়েছেন, ওনারা সেখানে একমত হন নাই। জুলাই সনদে বলা আছে, ফ্লোর ক্রসিং—অর্থাৎ দলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আর অর্থ বিল ব্যতীত অন্য সব বিষয়ে আপনি স্বাধীন মতামত দিতে পারবেন। মানে সংসদ সদস্যরা স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। বিএনপি এখানে ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা’, ‘জরুরি অবস্থা’— এরকম আরও কয়েকটা জিনিস ঢুকিয়েছে। এখন ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা’ তো ডিফাইনড না; কোনটাকে ওনারা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা মনে করবেন? ফলে ওনারা ৭০ অনুচ্ছেদ দিয়ে আবারও সংসদ সদস্যদের ঠিকই নিয়ন্ত্রণ করতে চান।’’
এনসিপি’র এই নেতা বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম যে ৭০ অনুচ্ছেদটা প্রযোজ্য হবে সরকারের স্থিতিশীলতা এবং সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতা—এই দুই সাপেক্ষে। অর্থাৎ, যেটা আগে কনসার্ন ছিল ৭০ অনুচ্ছেদ থাকার কারণে যে এটা না থাকলে সংসদ সদস্যরা দ্রুত ফ্লোর ক্রসিং করবে, সরকার পড়ে যাবে। এ কারণে শুধুমাত্র দলের বিরুদ্ধে আপনি অনাস্থা দিতে পারবেন না। এটা নিশ্চিত করলে সরকারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। অন্য সকল ক্ষেত্রে যদি আপনি সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দিতে দেন, তাহলে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতাও নিশ্চিত হবে। ফলে সরকারের স্থিতিশীলতা এবং সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতা—এই দুইটার সাপেক্ষে ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কারের বিষয়ে জুলাই সনদে সব দল একমত হয়েছে। বিএনপি সেখানে আরও দুইটা জিনিস অ্যাড করে ৭০ অনুচ্ছেদটাকে খোঁচা করে দেওয়া বা যেটাকে বলে এক ধরনের নির্বিষ করে দেওয়া, সেটা করে দিয়েছে।’’
চিফ হুইপের বক্তব্যকে দলগতভাবে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘‘ওনাদের এগুলোকে আমরা খুব বেশি গুরুত্ব দিই না। কারণ ওনারা যেটা ওনাদের পছন্দ সেটাই করবেন। ওনাদের স্বার্থটাই ওনারা প্রাধান্য দেবেন। আর বাকিটা হচ্ছে, ওনারা এক ধরনের সংস্কারের পক্ষে ‘লিপ সার্ভিসিং’ দেন। কারণ বিভিন্ন জরিপে এখনও ওভারহোয়েলমিংলি জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন যে তারা সংস্কার দেখতে চান, গণ-অভ্যুত্থানের বাস্তবায়ন দেখতে চান। ফলে এ কারণে তারা একটা লিপ সার্ভিসিং দেয় যে ‘আমরা এই করছি, ওই করছি’। কিন্তু আদতে তারা তাদের ক্ষমতাটাকে সুসংহত করতেছে।’’
‘‘ওনারা সংস্কার জিনিসটাকে মানছেন না’’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়ে গেছে, এখন ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করা বা রাখা একই জিনিস বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা কী চাই বা আমাদের মতামত আমরা ‘জুলাই সনদ’-এ বলেই দিয়েছি। আমরা বাংলাদেশে কী রকম ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োগ চাই অর্থবিল এবং দুই-একটা বিষয় আছে, যেমন- নো-কনফিডেন্স (অনাস্থা) বিল। এগুলো ছাড়া যে কার্যকারিতা, সর্বসম্মতভাবে একদম শুরু থেকেই আমরা সেটার পক্ষে ছিলাম। এখন ওনারা রাষ্ট্রপতি ইলেকশনটাকে আগের সিস্টেমে করে নিয়ে এখন দেখছেন যে, পাঁচ বছর তো আর কোনও ঝামেলাই নেই। নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে এখন ৭০ অনুচ্ছেদ কবর দিতে বলছেন। সুতরাং, এখন এটা বাতিল করা, আর রাখা একই জিনিস।’’
চিফ হুইপের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আতিক মুজাহিদ বলেন, ‘‘৭০ এর অনুচ্ছেদ কবর দেওয়ার কথা বলে ওনারা দুইটা কাজ করলেন। একটা হলো—ওনারা মানুষকে বোঝালেন যে আমরা সংস্কারের পক্ষে, ‘দেখেন আমরা বলতেছি করব দেবো।’ আর ইন দ্য মিনটাইম (ইতোমধ্যে) কাজটা তারা শেষ করে ফেলেছেন। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে ওনারা সংস্কার জিনিসটাকে ঠিকমতো মানছেন না। ওনারা কথায় ও কাজে মিল রাখলে না মানুষ মতামত দিতে পারে! ওনাদেরই আরেকজন বলছেন, ৭০ অনুচ্ছেদ মানার মাধ্যমে বিরোধী দলের নাকি সংস্কার পরিষদের শপথ ইনভ্যালিড (অবৈধ) হয়ে গেছে। কী ব্যাখ্যা নেবেন?’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘মনে হচ্ছে, ওনারা সবাইকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন। রাষ্ট্রীয় একটা বিষয়কে ওনারা ভালোমতো করবেন—এটাই আমরা বিশ্বাস করতে চাই। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো, সিস্টেমগুলো সুন্দর হবে। কিন্তু সেটাকে ওনারা নিজেদের ইচ্ছাধীন বানিয়ে ফেলছেন। ৭০ অনুচ্ছেদ সম্পর্কিত বিল সংসদে আসলে তখন আমরা দলগতভাবে আলোচনা করবো।’’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের হুইপ ও লক্ষ্মীপুর ৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘৫৪ বছর ধরে সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদ জীবিত। এখন চিফ হুইপ কবর দেওয়ার কথা বলেছেন, এটা তো সাধুবাদ দেওয়ার কথা। আমরা জুলাই সনদে সাইন করেছি। আমাদের সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। সেদিকেই তো আমরা ধীরে ধীরে এগোচ্ছি।’’
তিনি বলেন, ‘‘গত ৫৪ বছরে যেখানে কিছুই হয়নি সেখানে যদি ৩০ শতাংশ করে সুশাসন বা পজিটিভ ভিত্তি তৈরি হয়, তাহলে মন্দ কী! সবকিছু তো হুট করেই বাস্তবায়ন হয়ে যায় না।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘এদেশের জনগণ তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে। তিনি ইতিবাচক পরিবর্তনের কর্ণধার হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। জনগণ না চাইলে কিন্তু আমরা বিরোধী দলে যেতেও প্রস্তুত। আমার মনে হয় বর্তমানে বিরোধী দলের ভূমিকায় যারা আছে, তাদের দেশের স্বার্থে জনগণের কল্যাণের স্বার্থে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগকে স্বাগত জানানো উচিত।’’