আশা ইউনিভার্সিটি ও ইন্দোনেশিয়ার ইউএনপির মধ্যে চুক্তি: বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাচ্ছেন স্কলারশিপ 

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা, বিশ্বমানের গবেষণা ও জ্ঞানবিনিময়ের নতুন পথ সুগম করার লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়ার খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং (ইউএনপি)-এর ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস (এফএমআইপিএ) এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এএসএইউবি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টায় আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. রেজাউল করিম এবং ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাংয়ের ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেসের ডিন প্রফেসর ড. ইউলকিফলি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা চুক্তিতে সই করেন। পাঁচ বছর মেয়াদি এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের দিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। 

শনিবার (২৫ জুলাই) আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের জনসংযোগ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।  

চুক্তির ধারা অনুযায়ী, শিক্ষা, গবেষণা, কমিউনিটি সার্ভিস, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একাডেমিক কার্যক্রমে যৌথভাবে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান। এর আওতায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ গবেষণা পরিচালনা, আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সম্মেলনের আয়োজন, গবেষণাপত্র প্রকাশ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, পাবলিক লেকচার, ইন্টার্নশিপ এবং সমন্বিত ফিল্ড স্টাডি পরিচালনা করবে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা জোরদার এবং উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র‌্যাংকিং উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টিতে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আশা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুখবর দেয় ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং কর্তৃপক্ষ। তারা আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থীকে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি পর্যায়ে সম্পূর্ণ বৃত্তি প্রদানের ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার ফলে দুই প্রতিষ্ঠানের দ্বিপাক্ষিক একাডেমিক সম্পর্ক যেমন সুদৃঢ় হবে, তেমনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার পথ উন্মুক্ত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অতিরিক্ত পরিচালক ড. মহিবুল আহসান এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীবিষয়ক পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুসার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হেলালউজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন। আশা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ ব্যক্ত করেছে, এই আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিক্ষা ও উদ্ভাবনে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হবে।