কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনী


DSC_7311ইংলিশ মিডফিল্ডার লি টাকের করা গোলের ওপর ভর করে ওয়ালটন ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে ঢাকা আবাহনী। আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে তারা ১-০ গোলে সকার ক্লাব ফেনীকে হারিয়ে গ্রুপ ‘এ’ তে রানার্স-আপ হয়। দুই খেলায় আবাহনীর পয়েন্ট তিন, আরামবাগের সংগ্রহ চার।
জয় ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই এমন পারিপার্শ্বিকতায় খেলতে নেমে স্বপ্নের সূচনাই পায় আবাহনী। রেফারির বাঁশিতে খেলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফরোয়ার্ড নাবিব নেওয়াজ জীবন বল ঠেলে দেন তার স্ট্রাইকিং পার্টনার সানডে চিজোবাকে। ডান উইঙয়ে থাকা ইংরেজ মিডফিল্ডার লি টাক তখন শুরু করেছেন কোনাকুনি দৌড়। সানডে মাপা ক্রসে লি টাককে বল পৌঁছে দিলে, ঠাণ্ডা মাথায় নিজ মার্কারকে কাটিয়ে বাম পায়ের কোনাকুনি প্লেসিং শটে দূরের জালে বল ঠেলে দেন লি টাক। মাঠের পাশে স্টপওয়াচে তখন সময় মাত্র ৪৫ সেকেন্ড। বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের ইতিহাসের দ্রুততম গোলের অন্যতম নজির এটি।
১৯ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজ হাতে নিয়ে নিতে পারতো আবাহনী। কিন্তু সানডে চিজোবা সহজ সুযোগ থেকে গোল করতে না পারায় সেটি হয়নি। লি টাকের ক্রসে বক্সের মাঝে ব্যাক হিল করেছিলেন নাবির নেওয়াজ জীবন, সানডের সামনের বাম হাতের পোস্ট ছিল উম্মুক্ত। কিন্তু নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড বল প্লেস করেন সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে।

এরপর আবাহনী বল ধরে রেখে খেলার কৌশল অবলম্বন করে। তবে ফেনী সকারের কৌশল ছিল কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর। একটি পাল্টা আক্রমণে তারা ভেদ করেছিল আবাহনী রক্ষণব্যূহ। ৩২ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফরোয়ার্ড আকবর হোসেন রিদন। বল সরাসরি তিনি তুলে দেন আাবাহনী গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের হাতে!

দ্বিতীয়ার্ধে লি টাকের বিচ্ছিন্ন কিছু প্রচেষ্টা ছাড়া আবাহনী তেমন কিছু করতে পারেনি। সানডে চিজোবা তার অফ ফর্ম অব্যাহত রাখেন। জীবনকে বদলে কোচ কোটান মাঠে নামান ওয়াহেদকে কিন্ত আবাহনী গোল করার ফরোয়ার্ড আর খুঁজে পায়নি। ম্যাচের শেষ মিনিটে ওয়াহেদের করা থ্রু পাস আয়ত্ত্বে নিয়ে গোলরক্ষক সুজন চৌধুরীকে একা পেয়েও বল মারতে দেরি করেন সানডে চিজোবা। পরে শট নিলে ডিফেন্ডার জহিরুল তা ঠেকিয়ে দেন। ফলে অতৃপ্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী!

/আরএম/এফআইআর/