টস জিতে খেলতে নামা বারবাডোস শুরুতে ৭ উইকেটে হারিয়ে তোলে ১৪২ রান। শোয়েব মালিকের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৩। আর প্রতিপক্ষের দ্বিতীয় উইকেটটি তুলে নেন সাকিব আল হাসান। ডোয়াইন স্মিথকে ২৮ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। এছাড়া শেষ দিকে ওয়েইন পারনেল ২৫ আর আকিল হোসেন ২২ রান করেন।
জ্যামাইকার পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ক্রিশমার সান্তোকি, ইমাদ ওয়াসিম ও কেসরিক উইলিয়ামস। ৪ ওভার বল করে ২৬ রানে একটি উইকেট নেন সাকিব। এদের মাঝে সবচেয়ে মিতব্যয়ী ছিলেন ইমাদ। ৪ ওভারে ১৬ রান দেন তিনি।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামলে মাত্র ১৫ রানেই ধাক্কা খায় জ্যামাইকা। ফিরে যান তারকা ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারা। এরপর ওপেনার লেন্ডল সিমন্স আর ম্যাকার্থি মিলে প্রতিরোধ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সমান তালে। ধীরে ধীরে হুমকি হয়ে উঠা জুটিটাকে ভেঙে দেন ইমরান খান। ২২ রানে ম্যাকার্থিকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি।
এরপর আর ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি কোনও তারকা। সাকিব মাত্র ১ রানে আকিল হোসেনের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। শেষ দিকে ইমাদ ওয়াসিম ও ক্রিশমার সান্তোকি কিছুটা ব্যাট চালিয়ে খেলার চেষ্টা করলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৩০ রানে থামে জ্যামাইকা। ম্যাচ সেরা হন আকিল হোসেন।
/এফআইআর/