অথচ ওই সময় নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক কোনও ব্যস্ততা নেই। তাহলে কেনও এমনটি করেছে নিউজিল্যান্ড? এর উত্তর কৌশলেই দিয়েছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ডেভিড হোয়াইট। তার মতে, ‘চুক্তিবদ্ধ কেউই পাকিস্তানে ওই সময় যেতে পারছে না। অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা রয়েছে। এই মুহূর্তে আমি এতটুকুই বলতে পারি।’
হোয়াইটের কথা থেকে বুঝাই যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা না থাকলেও ওই সময় ভিন্নভাবে নিজেদের ব্যস্ত রাখবে নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যে তাদের আশঙ্কা রয়েছে, তার মূলে রয়েছেন মার্টিন গাপটিল ও ট্রেন্ট বোল্ট! সম্প্রতি এ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। তবে সেই আশঙ্কার সঙ্গে নিজেদের জড়াতে চাইছেন না কিউই বোর্ডের এই কর্তা,‘আসলে এটাই বাস্তবতা। আমরা এখনই নিশ্চিতভাবে সিরিজের বিষয় নিয়ে কিছু বলতে পারবো না। তবে ওই সময় আমাদের ব্যস্ততা থাকতে পারে। তাই ছেলেরা হয়তো সেখানে খেলতে পারবে না।’
চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে বাধা থাকলেও চুক্তিহীন ক্রিকেটারদের এক্ষেত্রে বাধা থাকছে না বলেই জানিয়েছেন হোয়াইট। যেমন লুক রনকির মতো তারকাদের সেখানে খেলতে বাধা নেই। আইসিসি প্রস্তাবিত সেই ম্যাচগুলোকে আন্তর্জাতিক মর্যাদা দিলেও তাতে চুক্তিহীন ক্রিকেটারদের খেলতে এনওসি লাগবে।
পাকিস্তানের নিউজিল্যান্ডের সফর করতে আতঙ্কে থাকার কারণও আছে। কিউইরা সবশেষ পাকিস্তান সফর করেছিল ২০০৩ সালে। এর আগের বছর সফর করতে পাকিস্তানে আসলেও করাচিতে বোমা বিস্ফোরণের কারণে সেই সফর পরিত্যক্ত করে ফিরে আসে নিউজিল্যান্ড। এছাড়া ২০০৯ সালে পাকিস্তানেই শ্রীলঙ্কার টিম বাসে হামলার পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নির্বাসনে রয়েছে পাকিস্তান। তাই সেখানে ক্রিকেট ফেরাতে বিশ্ব একাদশকে নিয়ে সিরিজ আয়োজন করতে চেয়েছিল আইসিসি। এই অবস্থায় নিউজিল্যান্ড বেঁকে বসায় সিরিজ আয়োজন নিয়ে একপ্রকার ধাক্কাই খেলো দেশটি। ক্রিকবাজ।
/এফআইআর/