প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে পারেননি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তবে চট্টগ্রামে বোলিংয়ে এসে দেখালেন তার বোলিং ঝলক। তার বলে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ওপেনার ম্যাট রেনশ। তিনি বিদায় নেন ৪ রানে। মধ্যাহ্ন বিরতির আগে ওই একটিই সাফল্য ছিল টাইগারদের। বিরতির পর শুরুর ধাক্কা সামাল দেন স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। দুজনে মিলে গড়েছেন ৯৩ রানের জুটি। চিন্তায় ফেলে দেওয়া এই জুটি ভেঙ্গেছেন তাইজুল। ২৯তম ওভারের প্রথম বলে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক থ্রু তিনি এনে দিয়েছেন স্মিথকে বোল্ড করে। ৯৪ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক, যেখানে ছিল ৮টি চার। তবে এরপর ওয়ার্নার ও হ্যান্ডসকম্বের ১২৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটির কারণে টাইগারদের দ্বিতীয় দিন শেষ হয়েছে হতাশায়।
এর আগে ৬ উইকেটে ২৫৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। নাসির হোসেন ও মুশফিক এগিয়ে নিচ্ছিলেন বাংলাদেশের ইনিংস। তবে নাথান লিওন বল হাতে নিতেই বাধে বিপত্তি। মুশফিকের দুর্ভাগ্য, পা বাড়িয়ে খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বল টার্ন করে ব্যাটের কানায় লেগে আঘাত করে স্টাম্পে। বাংলাদেশ অধিনায়কের ১৬৬ বলে খেলা ৬৮ রানের ইনিংসে ছিল ৫টি চার।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে নাসির গড়েছিলেন প্রতিরোধ। কিন্তু দলীয় ২৯৩ রানে নাসিরকে ম্যাথু ওয়েডের গ্লাভসবন্দি করেন অ্যাস্টন অ্যাগার। ৯৭ বলে ৪৫ রান করা নাসিরের ব্যাট থেকেও এসেছে ৫টি চার। পরের ওভারেই রান আউট হয়ে যান মিরাজ (১১)। স্কোর তখন ৯ উইকেটে ২৯৬। বাংলাদেশকে তিন শ’র ওপরে নিয়ে গেছেন তাইজুল, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে ছক্কা মেরে। ৯ রান করা তাইজুলের বিদায়ে ৩০৫ রানে শেষ হয় স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস।
৯৪ রানে ৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষতি করেছেন লিওন। ৫২ রানে অ্যাস্টন অ্যাগারের শিকার দুটি।