গত সপ্তাহে দ্রুততার সঙ্গেই নটিংহামশায়ার থেকে ফিরেছেন টেইলর। ফিরে জাতীয় দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। বলা হচ্ছে আগামী অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ফিরবেন। ২০১৫ বিশ্বকাপের পরই কোলপ্যাক চুক্তিতে আড়াই বছর ছিলেন জাতীয় দলের বাইরে। তার থেকেও বেশি সময় বাইরে রয়েছেন জার্ভিস। ২০১৩ সালে কাউন্টি খেলতে জাতীয় দল ছেড়েছিলেন। অভিষেকের মাত্র দুই বছরের মাথায় পাড়ি জমান ল্যাংকাশায়র।
ওই সময় তীব্র আর্থিক সঙ্কটে ভুগছিল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট। দেনা-পাওনা ঠিকমতো না মেটায় অনেকেই জাতীয় দল ছেড়ে চলে যান কাউন্টি খেলতে। সেখানে গিয়ে ক্লাবের হয়ে স্পটলাইটেই ছিলেন সব সময়। সেখানে ক্লাবের সবচেয়ে মূল্যবান এক ক্রিকেটার হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছেন। একই কথা মেনে নেবে জিম্বাবুয়েও। তাই সামনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা থাকায় গুরুত্ব বুঝেই জার্ভিসকে দলে ভেড়ানো হচ্ছে। উদ্বোধনীতে বোলিং শক্তিকে আরও পোক্ত করতে জার্ভিসকে নিয়ে ভাবছে জিম্বাবুয়ে।
জার্ভিস ক্যারিয়ারে ৮ টেস্টে নিয়েছেন ৩০ উইকেট আর ওয়ানডেতে রয়েছে ২৭টি।।৯ টি-টোয়েন্টিতে নিয়েছেন ১০ উইকেট।