ফিন অবশ্য চোটটা পেয়েছিলেন পার্থের নেট অনুশীলনে। মঈন পুরোনো সাইড স্ট্রেইনের চোটেই পড়েছেন। আর তাতেই স্ক্যান করাতে বাধ্য হয় ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। তারপরেই তাদের না খেলানোর সিদ্ধান্ত আসে। তবে আশা করা হচ্ছে অন্তত একটি প্রস্তুতি ম্যাচে খেলতে পারবেন দুই তারকা। চারদিনের এই প্রস্তুতি ম্যাচ শুরু হবে আগামী ১৫ নভেম্বর।
দুই তারকার মাঝে মঈন মনে করছেন তার চোটের যা অবস্থা তাতেও খেলতে পারবেন। কিন্তু দল ঝুঁকি নিতে চাইছে না বলে তাকে বিশ্রামে রাখছে ম্যানেজমেন্ট। উল্টো দিকে ফিনের ইনজুরি নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে। তাকে বেশ কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পরই একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনও কিছু জানায়নি ইংল্যান্ড।