অবশ্য সাইফের ক্ষেত্রেও জয়টা ছিল কাঙ্ক্ষিত। প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই ম্যাচ ড্রয়ের পর জয় পেলো সাইফ স্পোর্টিং। ১৫ ম্যাচে ৮ জয়ে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানেই আছে তারা। সমান ম্যাচে ১১ হারে আগের ৮ পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চলের কাছে রয়েছে লাল জার্সিধারীরা। তবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার গোলের সুযোগ ঠিকই পেয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা। ৩২ মিনিটে তাদের গোলটি বাতিল না হলে তারা এগিয়ে যেতে পারতো।
নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড মাগালানা আওলার শট জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে রেফারি তা বাতিল করে দেন। আর এই গোল বাতিল হওয়া নিয়েই আফসোস করেছেন দলের কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার,‘ আমাদের গোলটি বাতিল না হলে তখনই আমরা এগিয়ে যেতে পারতাম। তখন হয়তো ম্যাচের চিত্র পাল্টে যেতে পারতো।’
তবে বিরতির পর ছিল সাইফের প্রাধান্য। ৪৬ মিনিটে ওয়েডসনের পাস ধরে শেরিংহ্যাম দুজন ডিফেন্ডারকে টপকে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষক আজাদ হোসেনের ডানদিক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে স্কোর করেন ১-০। তাই লিগের দ্বিতীয় গোল পেয়ে খুশি শেরিংহ্যাম, ‘ দল জিতেছে। আমি গোল পেয়েছি, এতেই খুশি।’
৫২ মিনিটে ওয়েডসনের নেওয়া লবটি গোলরক্ষক বুঝতে পারেননি। ফলে বল মাটিতে পড়ে গোলমুখে ঢোকার মুহূর্তে আবারও গোলরক্ষক আটকানোর চেষ্টা করেন। তখন বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে জুয়েল রানা একাধিক প্রচেষ্টা চালালেও ব্যবধান আর বাড়েনি।
৬৯ মিনিটে জুয়েল রানার কাটব্যাকে ওয়েডসন বক্সের ভিতরে থেকে জোরাল শট নিলেও তা পোস্টের উপর দিয়ে যায়। এরপর ৯০ মিনিটে স্কোর ২-০ করে সাইফ। পাল্টা আক্রমণ থেকে মতিন মিয়া চার জনকে কাটিয়ে শেষ বাধা গোলরক্ষককেও পরাস্ত করেন।
এমন জয়ের পর দুই গোল দাতার পারফরম্যান্সে তৃপ্ত দলের ইংলিশ কোচ নরথমোর, ‘শেরিংহ্যামের গোলটি দেখার মতোই। আর মতিন মিয়ার গোলটি ঢাকার জ্যামে যেমন সবাই একে-বেঁকে চলে, ঠিক তেমনই হয়েছে। দুজনেই দুর্দান্ত খেলেছে।’
এদিকে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আরামবাগ ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাদার্স ইউনিয়নের সঙ্গে। রাজন মিয়া ৪৯ মিনিটে আরামবাগকে এগিয়ে নেন। ৭৮ মিনিটে কংগোর সিও জুনাপিও গোল শোধ করেন। ১৫ ম্যাচে আরামবাগের পয়েন্ট ১৫। আর পয়েন্ট টেবিলে তাদের অবস্থান অষ্টম। সমান ম্যাচে ব্রাদার্সের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১৪ তে। টেবিলে একধাপ এগিয়ে তাদের অবস্থান নবমে।