জামালের বিপক্ষে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন আবাহনী

 

ম্যাচ জিতলেই ষষ্ঠবারের মতো লিগের শিরোপা ঘরে তুলবে ঢাকা আবাহনী। প্রিমিয়ার লিগে হঠাৎ করে তিন দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ২০তম রাউন্ডে এসে ছিটকে পড়লো একটি দল। যেই চট্টগ্রাম আবাহনী ১৭তম রাউন্ড পর্যন্ত শীর্ষে ছিল, সেই তারাই কিনা এখন রানার্সআপ হওয়া নিয়ে সংশয়ে! যে কারণে তাদের কোচ সাইফুল বারী টিটুকে বরখাস্তও করা হয়েছে।  এই অবস্থায় শুক্রবারের ম্যাচেই হতে যাচ্ছে শিরোপা নির্ধারণ!

ঢাকা আবাহনী মুখোমুখি হবে শেখ জামালের। এই ম্যাচ জিতলে ঢাকা আবাহনী ষষ্ঠবারের মতো প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা ঘরে তুলবে। সেক্ষেত্রে শেখ জামালকে রানার্সআপ হওয়ার জন্য বাকী ম্যাচ খেলতে হবে। যদি ম্যাচটি ড্র হয় তাহলে তো চরম উত্তেজনা। শেষ ম্যাচ(২২তম) পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে দুদলকে।

২০ ম্যাচে ঢাকা আবাহনী ১৫টিতে জিতে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে। সমান ম্যাচ খেলে এক পয়েন্ট কম নিয়ে আছে শেখ জামাল। আবাহনী চাইছে ২১তম ম্যাচ খেলেই তিন পয়েন্ট নিয়ে ট্রফি জিততে। তাদের পরিকল্পনা তেমনই। যদিও শেখ জামাল ভালো ফর্মে আছে। তাদের বিপক্ষে এই সময়ে এসে তিন পয়েন্ট পাওয়া কঠিন।

দ্রাগো মামিচ ছাড়া একের পর এক ম্যাচ জিতে চলেছে আকাশি-হলুদরা। দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু বাংলা ট্রিবিউনকে এর রহস্য ভেঙে জানিয়েছেন, ‘আমরা সবাই দলের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাই মন প্রাণ দিয়ে খেলে যাচ্ছে। সবার চেষ্টাতেই আবাহনী এই পর্যন্ত এসেছে। এখন অপেক্ষা বাকী দুটি ম্যাচের। সেখান থেকে পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা জিততে চাই।’

শেখ জামাল ম্যাচ নিয়ে তার ভাবনা,‘ শেখ জামাল ভালো দল। তাদের বিপক্ষে জয়ের আশা আছে। জিতেই আমরা ট্রফি ঘরে নিতে চাই। এরজন্য খেলোয়াড়রা প্রস্তুত আছে।’

প্রথম পর্বে দুই দলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। শেখ জামাল অবশ্য কিছুটা দুশ্চিন্তায়। চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে গাম্বিয়ার ফরোয়ার্ড মোমদু বাহ ইনজুরিতে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও যেতে হয়েছিল।  তার মাথায় ছয়টি সেলাই পড়েছে।

তারপরেও কোচ মাহবুব হোসেন রক্সি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী, ‘আমাদের দল যেই ফর্মে আছে সেটা ধরে রাখতে পারলে ম্যাচটি আমরা জিতবো। রাফায়েল ও সলোমন আছে। ফরোয়ার্ডে ভালো করছে। দুজন মিলে এবার ২৯ টি গোল করেছে। ম্যাচ হারলে আমরা শিরোপা থেকে ছিটকে পড়বো। সেটা মনে করেই খেলতে নামবো। ট্রফির দিকে চোখ আছে আমাদেরও।’

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ।