ইতোমধ্যে টিটুর সঙ্গে আবাহনীর চূড়ান্ত কথা হয়ে গেছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে আবাহনীর এএফসি কাপের জন্য অনুশীলন শুরু হবে। প্রথম দিন থেকেই টিটুর অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা। আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু বাংলা ট্রিবিউনকে এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘এএফসি কাপের জন্য স্থানীয় কোচের ওপর ভরসা রাখতে হচ্ছে। দেখে-শুনে আমরা সাইফুল বারী টিটুকে চূড়ান্ত করেছি। নতুন করে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ফুটবলারদের ক্যাম্প শুরু হবে। সেদিন থেকে আশা করছি টিটু যোগ দেবে।’
দীর্ঘদিন ধরে বর্ষীয়ান অমলেস সেনের ওপর ভরসা করে আসছিল আবাহনী। তার মৃত্যুতে দলের হাল ধরার মতো অভিজ্ঞ কেউ নেই। গোলরক্ষক কোচ আতিকুর রহমান লিগের শেষ পর্ব ও স্বাধীনতা কাপে ছিলেন ডাগ আউটে। দ্রাগো মামিচের জায়গায় একাধিক বিদেশি কোচও আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট স্থানীয় কোচের ওপরই ভরসা রাখতে চাইছে।
দলের ম্যানেজার এর ব্যাখ্যা দিলেন এভাবে, ‘এএফসি কাপের জন্য এই মুহূর্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে চাইছি না। নুতন করে বিদেশি কোচ আসলে তার চিনতে-বুঝতে সময় লাগতে পারে। তাই আপাতত বিদেশি কোচের পক্ষপাতী নই। টিটু দেশের অন্যতম সেরা কোচ। তার জানা-শোনাও ভালো। তাই তার ওপরই দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আশা করছি সে ভালো করবে।’
দীর্ঘদিন ধরে সাইফুল বারী টিটুর স্বপ্ন ছিল আবাহনীর হয়ে ডাগ আউটে থাকবেন। এক সময় মোহামেডানে খেললেও সমর্থক ছিলেন আবাহনীর! তার সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন এভাবেই, ‘আবাহনীর কোচের দায়িত্ব পালন করাটা সৌভাগ্যের বিষয়। আমার সঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্টের কথা হয়েছে। এএফসি কাপে দলটির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছি। এএফসি কাপে আবাহনী যেন ভালো করতে পারে, সেই চেষ্টাই থাকবে।’
সাইফুল বারী টিটু এর আগে মোহামেডান, শেখ জামাল, আরামবাগ ও সর্বশেষ চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতীয় দলের হয়েও কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। শেখ জামালের হয়ে নেপালের পোখড়া কাপ চ্যাম্পিয়ন, মোহামেডানের হয়ে সুপার কাপসহ অন্য দলে ফেডারেশন কাপের শিরোপা জেতার অভিজ্ঞতাও আছে তার ঝুলিতে। এখন আবাহনীর হয়ে এএফসি কাপের নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছেন! এএফসি কাপে নতুন কোচের পাশাপাশি এশিয়ান কোটায় জাপানের মিডফিল্ডার সেইয়া কোজিমাকেও দলভুক্ত করেছে আবাহনী।