শুরুতে টস জিতে ব্যাট করে প্রাইম ব্যাংক ৪৯.২ ওভারে সব কটি উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৪৬ রান। এমন সংগ্রহে রানের যোগান এসেছে আল আমিন ও জাকির হাসানের ব্যাট থেকেই। আল আমিন ফিরে যাওয়ার আগে করেন ৮৪ রান। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন জাকির হাসান।
আবাহনীর পক্ষে এ ম্যাচেও বল হাতে সফল ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ৪১ রান দিয়ে নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন গনি ও সাকলায়েন সজীব। লিগের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও মাশরাফি।
মাশরাফির এমন বোলিংয়ের পর জয়ের কাছে গিয়েও জিততে পারেনি আবাহনী। সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ রান আসার পর ৬৫ রান আসে অধিনায়ক নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে। মাশরাফি ব্যাট হাতেও জ্বলে উঠার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ২২ রান থামে তার লড়াকু ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৩৭ রান তুলতে পারে আবাহনী।
প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে ৫১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। দুটি নেন দেলোয়ার হোসেন। ম্যাচসেরাও হন শরিফুল।