টেস্ট সিরিজে ব্যর্থ হওয়ার পর ওয়ানডে সিরিজটি দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ দল। ৯ বছর পর বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতে আত্মবিশ্বাসের রসদ করেছে পরিপূর্ণ। শুধু দলেই নয়, দলের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। টেস্ট সিরিজে পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়া তামিম ওয়ানডে সিরিজে দুই সেঞ্চুরি ও এক হাফসেঞ্চুরিতে করেছেন মোট ২৮৭ রান। সিরিজের সর্বোচ্চ রান এটাই।
যদিও নিজের চরিত্র থেকে বেরিয়ে এসে পুরো সিরিজে ধীরস্থিরভাবে খেলেছেন তামিম ইকবাল। কোন ম্যাচে তামিম ইকবাল প্রতিপক্ষ বোলারদের তেমন সুযোগ দেননি। গায়ানাতে প্রথম ম্যাচে খেলেছিলেন ১৩০ রানের ইনিংস। ১৪৬ বলে তামিম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন, যা কোনও বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের সবচেয়ে বেশি বল খেলে সেঞ্চুরি।
টেস্ট সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর তামিমের এমন সাফল্যের পেছনে রহস্য কী?। জানা গেলো দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্রিজে বেশিক্ষণ কাটানোই ছিল তাদের কৌশল, ‘আমাদের টেস্ট সিরিজটি ভালো যায়নি। ব্যক্তিগত ভাবে আমিও তেমন রান করতে পারিনি। অনুশীলনে অনেক সময় দিয়েছি। আমি আগেও বলেছি, এই ফরম্যাটে আমরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমার দল চেয়েছে আমি দীর্ঘসময় ক্রিজে থাকি। এটাই পরিকল্পনা ছিল, আর আমি সফলভাবে সেটা করতে পেরেছি।’
কঠিন উইকেটে ধৈর্য ধরে খেলার কারণে বড় স্কোর পেয়েছেন তামিম। সেই ধৈর্যের কথা জানিয়ে তামিম বললেন, ‘হ্যা, অবশ্যই ধৈর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উইন্ডিজের উইকেটে। গায়ানার উইকেট সহজ ছিল না। বল স্পিন করেছে আর প্রথম ম্যাচে সিম মুভমেন্টও ছিল। এমন উইকেটে সময় নিতে হবে। ধৈর্য নিয়ে নিয়ে খেলতে হবে, আমি মনে করি ধৈর্যই ভালো করার চাবিকাঠি। এই কারণেই আমি হয়তো বড় রান পেয়েছি।’