ইএফএ’র সঙ্গে কাটেনি সালাহর দ্বন্দ্ব

মোহাম্মদ সালাহমিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে (ইএফএ) পুরনো দ্বন্দ্বের রেশটা এখনও কাটেনি সালাহর। তার ছবি বেআইনিভাবে ব্যবহার করা হয়েছে; এমন অভিযোগ মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে বার বার দিলেও অ্যাসোসিয়েশন পুরোপুরি নিশ্চুপ। রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে মাসব্যাপী চলা এই সেই ইস্যুতে সালাহ অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন। মাঝখানে বিরতি দিয়ে সালাহ আবারও জানান দিলেন সুরাহার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি ইএফএ।

ইমেজ রাইটস নিয়ে এই দ্বন্দ্বের জেরে রাশিয়া বিশ্বকাপে তার খেলা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল। বিষয়টির সুরাহা হচ্ছে এমন আশ্বাসে চুপ ছিলেন এতদিন। তবে টুইটারে নতুন করে ক্ষোভ উগড়ে তিনি জানালেন এখনও শান্ত হননি লিভারপুলের প্রাণভোমরা, ‘এটা স্বাভাবিক যে খেলোয়াড়রা কোনও বিপদে পড়লে তার ফেডারেশন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে। যাতে তারা স্বস্তিতে থাকতে পারে। কিন্তু এখানে আমি দেখছি তার উল্টো।’

ফেডারেশনের সঙ্গে সম্পর্কটা কোন পর্যায়ে তার প্রমাণ পাওয়া যায় এই বক্তব্যে, ‘এটা কোনওভাবেই স্বাভাবিক নয় যে তারা আমার এবং আমার আইনজীবীর বার্তা আমলে নেয়নি। আমি জানি না কেন এসব হচ্ছে? আপনাদের কি আমাদের কথার উত্তর দেওয়ার সময় নেই?’

ফেডারেশনের সঙ্গে সম্পর্কটা যে নতুন করে বাজে দিকে যাচ্ছে তার আভাস পাওয়া গেছে অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড সদস্য আহমেদ মেগাহেদের মন্তব্যেই। তিনি জানান এই বিষয়ে জানতে তারা সালাহর সঙ্গে গত ১৬ আগস্ট যোগাযোগ করেছিলেন। সালাহ ১১ আগস্ট যোগাযোগ করলেও তার ধরন প্রাতিষ্ঠানিক ছিল না। তাই তাকে প্রাতিষ্ঠানিক ভঙ্গিতে চিঠি লিখতে বলা হয়।  

মেগাহেদ আরও জানান সালাহর এজেন্ট ঈদুল আজহার ছুটিতে চিঠিটি পাঠায়। কিন্তু চিঠিটির ভাষার ব্যবহার কোনওভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না। সেখানে সালাহর এজেন্ট জানায় খেলোয়াড়দের দাবি মানতে না পারলে তারা যেন পদত্যাগ করে। এর জবাবে মেগাহেদ আরও জানান, ‘সব দাবি হয়তো মানা সম্ভব নয়।’ এমন উত্তরের পর সালাহ এখন কী করেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।