ধর্ষণ অভিযোগ অস্বীকার রোনালদোর, তদন্তে পুলিশ

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।ইন্টারনেট দুনিয়ায় মেয়েদের যৌন নিগ্রহের অন্যতম হাতিয়ার এখন হ্যাশট্যাগ মিটু মুভমেন্ট। আর এই চলমান আন্দোলনেই নতুন জীবন পেয়েছে রোনালদোর ধর্ষণ মামলা! রোনালদো সেই ঘটনা বার বার অস্বীকার করে আসলেও লাস ভেগাস পুলিশ জানিয়েছে মামলার তদন্ত করবে তারা।

এ ব্যাপারে অভিযোগকারী ক্যাথরিন মায়োর্গার আইনজীবী লেসলি স্টোভাল সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘মিটু আন্দোলন ও যেই নারী যৌন নিগ্রহের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ হয়েছিলেন তার কাছ থেকে ক্যাথরিন প্রেরণা পেয়েছিলেন।’

রোনালদো অবশ্য সব কিছু অস্বীকার করেছেন। লাস ভেগাস হোটেলে মায়োর্গাকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত কয়েক দিন ধরে চলা নানা ঘটনার পরিক্রমায় অবশেষে বুধবার সব অভিযোগ উড়িয়ে টুইটারে বিবৃতি দিয়েছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আছে তা দৃঢ়ভাবেই অস্বীকার করছি। ধর্ষণ একটি ঘৃণ্য অপরাধ। আর এমন অপরাধ যা আমি নিজে বিশ্বাস করি তার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ একটি বিষয়। আমি এ থেকে নিজের নাম মুছে ফেলতে চাই। আর যারা আমার নাম ব্যবহার করে মিডিয়ায় নিজেদের প্রমোট করতে চাইছেন তাদের সেই সুযোগ আমি দিবো না।’

ধর্ষণের এই অভিযোগ বেশ পুরনো। ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের পাম ক্যাসিনোর রিসোর্টে অবস্থিত নাইট ক্লাবে মায়োর্গাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদন ছাপে জার্মান ম্যাগাজিন ডের স্পেগেল। লাস ভেগাস পুলিশ জানিয়েছে, ২০০৯ সালের জুনে করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে করা তদন্তে সন্দেহজনক কিছুই খুঁজে পায়নি তদন্তকারীরা।

তবে মামলার ফলে ২০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে রোনালদোকে। মায়োর্গার লিগ্যাল টিম এ সংক্রান্ত সব প্রতিবেদন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে মায়োর্গার সংবাদ সম্মেলন করার কথা থাকলেও তাতে উপস্থিত হননি তিনি। এ ব্যাপারে তার আইনজীবী স্টোভাল জানান, ‘মায়োর্গার মানসিক যে অবস্থা তাতে সে জন সম্মুখে হাজির হতে পারছে না। এটা তার জন্য স্বস্তির কোনও বিষয় না।’ তার আইনজীবী আরও জানান মায়োর্গা এমন ঘটনার পর বিষণ্ণতায় ভুগেছেন ভয়ানক ভাবে। এমনকি আত্মহত্যাও করতে চেয়েছিলেন! -বিবিসি।