এই প্রথম কোচ হিসেবে সাফল্য পেয়েছেন জাকারিয়া বাবু। এমন সফলতায় অন্যরকম এক আনন্দ যে কাজ করেছে তার বহিঃপ্রকাশ তার এই আনন্দাশ্রু। নিজের মুখেই জানালেন ‘আমি জানি না কেন এ কান্না এলো। তবে আনন্দের কান্না বলতে পারেন। আমি বরাবরই বলেছি আমাদের ভালো কিছু করার আত্মবিশ্বাস আছে। গোল হজম করেও খেলোয়াড়দের বলেছি হতোদ্যম না হতে। বিরতিতে তাদের উজ্জীবিত করেছি। শেষপর্যন্ত তাই সফল হয়েছে। ভালো খেলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।’
আবাহনীর তিন গোলের দুটি নাইজেরিয়ান সানডের। অন্যটি হাইতির বেলফোর্টের। এই দুজনের প্রতি আলাদা কোন নির্দেশনা ছিল কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে জাকারিয়া বাবু, ‘দুই বিদেশির ওপর আমার কোন আলাদা নির্দেশনা ছিল না। দলের সবাই আমার শক্তি। সবাই মিলে খেলেই শিরোপা এসেছে।’
ফেডারেশন কাপটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন আবাহনী কোচ। সেই চ্যালেঞ্জ পার করে অর্জন করলেন ক্যারিয়ার সেরা সাফল্য। তেমন অর্জনে তিনি গর্বের সঙ্গেই বললেন, ‘এটা আমার সর্বোচ্চ সাফল্য। আর এই জয়ই প্রমাণ করে যে দেশি কোচরাও সাফল্য এনে দিতে পারে। এটা চ্যালেঞ্জ ছিল, সেটা জিতেছি।’
বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন অবশ্য ম্যাচ শেষে এগিয়ে রাখলেন জয়ী আবাহনীকে, ‘দ্বিতীয়ার্ধে আবাহনী ভালো খেলেছে। তবে রেফারিং ভালো হয়নি।’